Sukanta On Mamata: 'ওঁনার আচরণ বলে দিচ্ছে, তিনি হারছেন', মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পালটা খোঁচা সুকান্তর
WB Assembly Election 2026: ২ দফায় এবারের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে বাংলায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ও ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে। ফলতায় আগামী ২১ মে ফ্রেশ পোল রয়েছে।

কলকাতা: ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) ফল ঘোষণার যখন মাত্র একটা দিন বাকি। তার আগে শনিবার, দলের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি জানিয়েছিলেন যে দুশোর বেশি আসনে জিতবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।
বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মন্তব্যের কাউন্টার করে বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই এই সব দাবি করুক না কেন, তাঁর আচরণ বলে দিচ্ছে যে তিনি হারছেন। শুধু তাইই নয়, আমি এমন একজন তৃণমূল নেতাকে চিনি যিনি বলে দিয়েছেন যে একশোর বেশি আসন পেলেই অনেক। আমি নাম নিচ্ছি না তাঁর, কারণ সেক্ষেত্রে আবার বলবে যে প্রমাণ করতে। তিনি নিজেও ভোটে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলছেন আমি পাঁচ হাজারে জিতলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করব।'
উল্লেখ্য, ২ দফায় এবারের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে বাংলায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ও ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে। ফলতায় আগামী ২১ মে ফ্রেশ পোল রয়েছে। 'পরিবর্তন', না 'প্রত্যাবর্তন'? কোনদিকে রায় দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসী? তা স্পষ্ট হবে সোমবার। তার আগে স্ট্রংরুম নিয়ে চরমে পৌঁছেছে স্নায়ুযুদ্ধ। সাখাওয়াত মেমোরিয়ার গার্লস হাইসকুলের স্ট্রংরুমে গিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা থেকেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই আবহে গণনার আগেও এতটুকু ঢিলে দিতে চাইছে না তৃণমূল শীর্ষনেতৃত্ব। আগামী শনিবার ৪ মে কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তৃণমূল নেত্রী সতর্ক করে দেন, ভোর ৫টায় গণনাকেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন। বাইরের খাবার নেবেন না। কেউ কিছু মিশিয়ে দিতে পারে। যদি দেখেন ২০০-৩০০ ভোটে বিজেপিকে জিতিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে পুনর্গণনা করতে বলবেন। যদি EVM হ্যাক করে, কাউকে ছাড়ব না। বিজেপি মানসিকতার কিছু ডেটা অপারেটর নেওয়া হয়েছে। আপনি ৪ হাজারে জিতছেন, কিন্তু ২ হাজারে হারছেন বলে দেখিয়ে দেওয়া হতে পারে। স্লো কাউন্টিং করতে পারে। মধ্যরাত পর্যন্ত হতে পারে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় এদিন আরও বলেন যে এক্সিট পোল করা হয় শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করার জন্য। এর কোনও ভিত্তি নেই। ২০২১ ও ২০২৪ তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যাঁরা এই নির্বাচন পর্বে বিভিন্নভাবে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে অত্যাচারিত হয়েছেন, তাঁদেরকে ফলাফলের পরে পুরস্কৃতও করা হবে।




















