Potholes on Roads | রাস্তায় ভরেছে খানাখন্দে, চিন্তায় পথচারী থেকে গাড়ি সওয়ারি
কলকাতা: বর্ষা আসতেই রাস্তার বেহাল ছবি। প্রতিবছর একই কাহিনী। রাজ্য়ে বদলেছে সরকার। একাধিক পুরসভায় বসানো হয়েছে পুরপ্রশাসক। কিন্তু বদলাচ্ছে না রাস্তার ছবি। দমদম হোক বা বেলঘরিয়া এক্সপ্রেস — খানাখন্দে ভরে গোটা রাস্তা। এত গেল শহরের কথা। একই পরিস্থিতি জেলায় জেলায়ও। কোথায় জল জমেছে, কোথাও আবার আবর্জনার স্তূপ। তার মধ্যেই রাস্তা ভরে গিয়েছে খানাখন্দে।
আরও খবর পড়ুন : দেবরাজের 'হাতের পুতুল' পুরনিগম
১৫০ পাতার ছত্রে ছত্রে রয়েছে অভিযোগ। কীভাবে তোলাবাজি করতেন, কী হত সেই টাকায় — প্রায় সবটাই 'উল্লেখ' করেছে পুলিশ। গ্রেফতারির ৩৫ দিনের মাথায় অভিষেক ঘনিষ্ঠ দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বারাসাত আদালতে জমা পড়ল চার্জশিট। সূত্রের খবর, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রোমোটারদের থেকে ব্যাপক তোলাবাজির বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে ওই চার্জশিটে। পাশাপাশি দেবরাজ চক্রবর্তীর দু'টি লকারে থাকা বিপুল পরিমাণ সোনা থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে তদন্তে। কিন্তু এই তোলাবাজি চক্র কীভাবে চালাতেন দেবরাজ? পুলিশের দাবি, বিধাননগর পুরনিগমকে সামনে রেখে চলত দেবরাজের 'তোলাবাজি-চক্র'। পুরনিগমের আধিকারিকদের কাজে লাগিয়ে বাগুইআটির এক প্রোমোটারের কাজ বন্ধ করে দেন দেবরাজ। সরকারি নোটিসে তালা পড়ে নির্মাণকাজে। তারপর তালা খোলে দেবরাজের সান্নিধ্যে গিয়ে। প্রোমোটারের থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা তোলার বিনিময়ে সেই নির্মাণকাজ ফের শুরু করার অনুমতি দেয় বিধাননগর পুরনিগম।






















