West Bengal Election 2026 : হিংসা আটকাতেই হবে! OC-দের কড়া নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের...১০ দিনের মধ্যেই করতে হবে এই কাজ
'কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে, কোনওরকম অবহেলা হলে তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে', কর্তব্যে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, নির্দেশিকায় উল্লেখ ।

ময়ূখঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে থানার OC-দের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা দিল কমিশন।
থানার OC-দের নির্দেশিকা CEO-র
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের তরফে কড়া নির্দেশিকা, আগেরবারের ভোটের সময় দায়ের হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। সমস্ত জামিন-অযোগ্য ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে। কোনও ওয়ারেন্ট ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এছাড়া, থানায় থানায় সমস্ত ঘোষিত 'পলাতক' ও 'ওয়ান্টেড' আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের তরফে সমস্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বাদেও, অতীতে যে সব জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বিক্ষোভ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে এবং কারা সম্ভাব্য গোলমালকারী, তাও চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের এলাকা চিহ্নিতকরণ
নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ, অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের এলাকা চিহ্নিত করে, সেখানে সারাক্ষণ টহল ও পিকেটিং চালাতে হবে। দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীরা থাকতে পারে এমন সন্দেহজনক হোটেল, বার, ধর্মশালা ইত্যাদি জায়গায় নিয়মিত তল্লাশি চালাতে হবে। নির্বাচনী অপরাধ বা আইনশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
দিনরাত নাকা চেকিং
আন্তঃজেলাভিত্তিক বেআইনি কার্যকলাপ, বিশেষ করে অবৈধ মদের কারবারের তথ্য দুই জেলার পুলিশদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সেইসঙ্গে আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে, সীমান্তবর্তী সমস্ত রাস্তা, একাধিক লিঙ্ক রোড ও কাঁচা রাস্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নজরদারি জারি রাখতে হবে, নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। থানায় থানায় OC-দের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, নাকা পয়েন্টে গাড়িতে গাড়িতে তল্লাশি জোরদার করতে হবে। নাকায় লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টা সচল আছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।
সভার নিরাপত্তায় নজর
সেইসঙ্গে, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, সভা, রোড শো, পথসভা ইত্যাদির নিরাপত্তা নিয়মিত খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ভোটের প্রচারে আসা হুমকির মুখে থাকা VIP বা নিরাপত্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যবেক্ষক ও নির্বাচন আধিকারিকদের সফরেও তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বার্তা - ভোট সংক্রান্ত কাজে যুক্ত সমস্ত আধিকারিকই নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন। সে কারণে অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে কমিশনের নির্দেশ। কর্তব্যে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলেও কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সেরা শিরোনাম




















