Arnold-Maria Divorce: আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগারের বিবাহ বিচ্ছেদ
Arnold Schwarzenegger And Maria Shriver: ২৫ বছরের সম্পর্ক শেষ হয়ে গিয়েছিল আগেই। এক দশক ধরে আলাদা থাকছিলেন আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগার ও মারিয়া শ্রিভার। অবশেষে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন তাঁরা।

ওয়াশিংটন ডিসি: আলাদা থাকছেন প্রায় ১০ বছর ধরে আলাদা থাকছেন। এতদিন পর সরকারিভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন বলিউড তারকা আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগার ও সাহিত্যিক মারিয়া শ্রিভার।
১৯৮৬ সালে মারিয়া শ্রিভারের সঙ্গে বিয়ে হয় আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগারের। ১৯৭৭ সালে একটি টেনিসের ইভেন্টে তাঁদের আলাপ হয়। ৯ বছর পর তাঁরা বিয়ে করেন। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে তাঁদের চার সন্তান ক্যাথারিন শোয়ার্ৎজেনেগার, ক্রিস্টিনা শোয়ার্ৎজেনেগার, প্যাট্রিক শোয়ার্ৎজেনেগার ও ক্রিস্টোফার শোয়ার্ৎজেনেগারের জন্ম হয়। ২০০৩ থেকে ২০১১ পর্যন্ত যখন দু’বার ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর ছিলেন আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগার, সেই সময়ও তাঁর সঙ্গে মারিয়া শ্রিভারের সম্পর্ক ভাল ছিল। কিন্তু ‘দ্য টার্মিনেটর’-খ্যাত অভিনেতা প্রকাশ্যে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেওয়ার পরেই স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরে।
২০১১ সালের মে মাসে জানা যায়, আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগারের সঙ্গে ১৯৯৭ সালে তাঁদের বাড়ির পরিচারিকা মাইলড্রেড প্যাটি বাইনার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁদের একটি সন্তানেরও জন্ম হয়। সেই সন্তানের নাম জোশেফ বাইনা।
এরপরেই আলাদা থাকতে শুরু করেন মারিয়া শ্রিভার। এবার তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেল।
আলাদা থাকা শুরু করার সময় এক বিবৃতিতে নিজের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নিয়ে আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগার জানিয়েছিলেন, ‘আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকজনের রাগ, হতাশা বুঝতে পারছি। আমার কোনও সাফাই বা অজুহাতই দেওয়ার নেই। আমি সবাইকে যে আঘাত করেছি, তার সব দায়ই নিচ্ছি। আমি মারিয়া, সন্তানদের কাছে এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি। আমি সত্যিই দুঃখিত।’
মারিয়া শ্রিভার এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, ‘এটা আমার কাছে হৃদয়বিদারক ও কষ্টের মুহূর্ত। একজন মা হিসেবে আমি সন্তানদের কথা ভেবে উদ্বিগ্ন।’
সে বছরের জুলাইয়েই বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন মারিয়া। তিনি আর্নল্ড শোয়ার্ৎজেনেগারের কাছ থেকে খোরপোশও দাবি করেন। এতদিন পর তাঁদের সরকারিভাবে বিচ্ছেদ হল।
Before You Go
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি






















