Kishmish Promotion: পোশাকে রংমিলন্তি, রবিবার সকালে মেট্রোয় 'কিশমিশ'-এর প্রচারে দেব-রুক্মিণী
মেট্রোয় 'কিশমিশ' ছবির প্রচারের ছবি ধরা পড়ল এবিপি আনন্দের ক্যামেরায়। দেব- রুক্মিণী মৈত্রর পোশাকে ছিল রংমিলন্তি। দুজনকেই মাল্টি কালারের পোশাকে দেখা যায়। মেট্রো সফরে তাঁদের সঙ্গী ছিলেন ছবির অন্যান্যরা।

কলকাতা: আগামী ২৯ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে 'কিশমিশ' (Kishmish)। ছবির প্রচারে বিশেষ জোর দিতে দেখা যাচ্ছে টলিউড অভিনেতা দেব (Dev) এবং রুক্মিণী মৈত্রকে (Rukmini Maitra)। রবিবার সকালে যখন বেশিরভাগ মানুষ ছুটির মেজাজে দিন কাটাচ্ছেন, তখন মেট্রোয় ছবির প্রচার সারলেন 'কিশমিশ' ছবির সদস্যরা। কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন থেকে যতীন দাস পার্ক পর্যন্ত দেব-রুক্মিণীর সঙ্গে ছিলেন ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা। ছিলেন খরাজ মুখোপাধ্যায় (Kharaj Mukherjee), কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় (Kamaleshwar Mukherjee), অঞ্জনা বসু এবং ছবির পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়।
মেট্রোয় 'কিশমিশ' ছবির প্রচার দেব-রুক্মিণীর-
এদিন মেট্রোয় 'কিশমিশ' ছবির প্রচারের ছবি ধরা পড়ল এবিপি আনন্দের ক্যামেরায়। দেব এবং রুক্মিণী মৈত্রর পোশাকে ছিল রংমিলন্তি। দুজনকেই মাল্টি কালারের পোশাকে দেখা যায়। মেট্রো সফরে দেব-রুক্মিণীর সঙ্গী ছিলেন ছবির অন্যান্যরা। ছবি মুক্তির আগে প্রচারে ব্যাপক জোর দিচ্ছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, গতকাল মুক্তি পায় 'কিশমিশ' ছবির আরও একটি গান 'অবশেষে ভালোবেসে চলে যাব'। শহরের প্রথম সারির একটি মলে আয়োজন করা হয়েছিল 'অবশেষে ভালোবেসে চলে যাব'-র আসরের। সেখানেই সাদা কালো পোশাকে 'দেবী'-কে পাশে নিয়ে হাজির ছিলেন দেব। আর সাদা রুপোলি পোশাকে ঝলমল করছিলেন রুক্মিণী। গানের শুরু থেকে শেষ, দেবের চোখ যেন সরছিলোই না রুক্মিণীর দিক থেকে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরের দায়িত্ব হামেশাই তিনি দিচ্ছিলেন রুক্মীণিকে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দেবের স্বভাবচিত মজা খুনসুটিতে তখন আসর জমজমাট। রিল লাইফের প্রশ্ন থেকে ঘুরে ফিরে হামেশাই প্রশ্ন ঢুকে পড়ছিল দেব-রুক্মিণীর রিয়েল লাইফ প্রেমে। সেখানেই প্রশ্ন ওঠে দেবের বিয়ে নিয়ে। সেখানেই দেব ফাঁস করেন, বাড়ি থেকে নাকি রোজই বিয়ের কথা বলে হচ্ছে দেবকে। তারপরেই হাসির মোড়কে সেই বিস্ফোরক উত্তর, ঠিক আছে, ২৯ এপ্রিল বিয়ে করছি। লজ্জায় লাল রুক্মিণী। মুহূর্তের মধ্যে ঘরের সবাই ফেটে পড়ে হাততালিতে।
Before You Go
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি





















