Diljit Dosanjh: ১২৭টি দৃশ্য বাদ, ছবির নাম বদলের নির্দেশ! ফের বিতর্কে দিলজিৎ দোসাঞ্জের নতুন সিনেমা
Diljit Dosanjh New Film: পরিচালকের অভিযোগ, সিবিএফসি জানিয়েছে, ছবির নাম থেকে ‘পঞ্জাব’ শব্দটিও সরাতে। এছাড়াও, ছবিতে ‘পঞ্জাব পুলিশ’ বলার উপরেও আপত্তি জানিয়ে শুধু ‘পুলিশ’ লেখার কথা বলা হয়েছে

কলকাতা : ফের আরেকবার বিতর্কে দিলজিৎ দোসাঞ্জ (Diljit Dosanjh)। ২০২৫ সালেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল দিলজিৎ দোসাঞ্জের নতুন ছবি 'পঞ্জাব ৯৫'। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল ও। জসবন্ত সিং খালরার জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিনেমা। এটি মূলত একটি পিরিয়ড ড্রামা। জসবন্ত সিং খালরা একজন মানবাধিকার কর্মী। পঞ্জাবের হাজার হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার সত্যতা সবার সামনে। কিন্তু এই ছবিই এখন চর্চার কেন্দ্রে। সেন্সর বোর্ডের কোপে পড়েছে এই ছবি। প্রথমে এই সিনেমার নাম হওয়ার কথা ছিল 'ঘালুঘারা'। তবে সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারণে এই ছবির নাম বদলে রাখা হয় 'পঞ্জাব ৯৫'। এই ছবির পরিচালক হানি ত্রেহান। তিনি সেন্সর বোর্ডের আপত্তি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। কারণ সেন্সর বোর্ড ছবিতে ১২৭টি কাট দিয়েছে। অর্থাৎ ছবি থেকে বাদ দিতে হবে ১২৭টি দৃশ্য। আর এই বিষয় নিয়েই ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন হানি ত্রেহান। তিনি বলেছেন, এতগুলো দৃশ্য বাদ দিলে তো ছবির আসল বিষয়টাই বাদ চলে যায়। তিনি বলেন, যদি জোর করে কাট বসানো হয়, তাহলে তিনি ছবি থেকে নিজের নাম সরিয়ে নেবেন। তিনি আরও বলেন, এই ছবি তিনি সম্পূর্ণ সত্যতা ও সততার সঙ্গে তৈরি করেছেন, এবং এত কাটছাঁটের পর এই ছবি আর ছবি থাকবে না।
পরিচালকের অভিযোগ, সিবিএফসি জানিয়েছে, ছবির নাম থেকে ‘পঞ্জাব’ শব্দটিও সরাতে। এছাড়াও, ছবিতে ‘পঞ্জাব পুলিশ’ বলার উপরেও আপত্তি জানিয়ে শুধু ‘পুলিশ’ লেখার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ইন্দিরা গাঁধীর নাম সরানোরও কথা বলা হয়েছে। এর উপর ত্রেহান প্রশ্ন তুলেছেন - ‘যদি গল্প পঞ্জাবের হয়, তাহলে নাম থেকে পঞ্জাব কীভাবে সরাবো?’ জসবন্ত সিং খালরার স্ত্রী পরমজিৎ কৌর খালরা সেন্সর বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ছবি পরিবারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হয়েছে এবং এতে কোনও ভুল নেই। তাই ছবিটিকে কোনো কাটছাঁট ছাড়াই মুক্তি দেওয়া উচিত। হানি ত্রেহান বলেছেন, 'তিনি গত আড়াই বছর ধরে অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, যদি আমরা আমাদের কথা শিল্পের মাধ্যমে বলতে না পারি, তাহলে গণতন্ত্রের মানে কী?'
পরিচালকের দাবি, এই ছবি কোনো রাজনীতি নিয়ে নয়, বরং একজন মানুষের সত্য লড়াইকে দেখায়। জসবন্ত সিং খালরা অনেক নিখোঁজ হওয়া মানুষের কথা সামনে এনেছিলেন। ছবি সেই লড়াইকে দেখায়। জসবন্ত সিং খালরা সেই সময়ে ২৫,০০০-এর বেশি মানুষের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন এবং এর রিপোর্ট আন্তর্জাতিক স্তরে পেশ করেছিলেন। এরপর তাকে অপহরণ করা হয় এবং পরে হত্যা করা হয়। এই ছবির উদ্দেশ্য হল তাঁর আত্মত্যাগকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। প্রশ্ন হল, এই ছবি দর্শকদের কাছে তার আসল রূপে পৌঁছাতে পারবে নাকি সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে থাকবে?























