Mimoh Chakraborty: 'বলিউডে অপমান করা হয় বাবা-মাকে কে..', বিস্ফোরক মিঠুন পুত্র মিমো
Mimoh Chakraborty News: সদ্যই মিমো বলিউডের লোকেদের ব্যবহার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তাঁর মতে, বলিউড একেবারেই ভুয়ো একটা জায়গা।

নয়াদিল্লি: মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)-র পুত্র মহাক্ষণ চক্রবর্তী ওরফে মিমো (Mimoh Chakraborty) সদ্য বলিউডের ব্যবহার ও কথাবার্তা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর মাধ্যমে তাঁর বাবা ও মাকে অপমান করা হয়। শুধু সাধারণ মানুষজনই নন, বলিউডের অধিকাংশের মধ্যেই যে এই প্রবণতা রয়েছে, তাও স্পষ্ট করে দেন মিমো। সদ্য 'খাকি-দ্য বেঙ্গল চ্যাপ্টার'-এ অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল মিমো-কে। তবে সদ্যই তিনি বলিউডের লোকেদের ব্যবহার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তাঁর মতে, বলিউড একেবারেই ভুয়ো একটা জায়গা।
কী বলেছেন মিমো?
সম্প্রতি বলিউডে অপমান করা নিয়ে মুখ খুলেছেন মিমো। তাঁর কথায়, 'বলিউডের সবচেয়ে খারাপ এবং জঘন্য মানসিকতার প্রকাশ হল ওরা আমার মাকে অপমান করেছে। আমি জানি, আমি আমার বাবার গৌরব, মর্যাদা বহন করে নিয়ে চলছি। সেই কারণেই আমার মাধ্যমে অনেকেই মিঠুন চক্রবর্তীকে অপমান করেন। কারণ মিঠুন চক্রবর্তীকে সরাসরি বলা কঠিন যে মিঠুন চক্রবর্তী এই বিষয়টায় খারাপ। কিন্তু আমি যে বাবার বংশপরম্পরাটা বহন করছি, সেই কারণে অনেকেই মনে করেন যে আমার মাধ্যমে বাবাকে গালিগালাজ করা যায়।' এখানেই শেষ নয়, মিঠুন পুত্র মিমোহ বলেন, 'আমায় যে যা খুশি বলুক, আমি মেনে নিই। এমনকি আমার বাবাকে বলা পর্যন্ত ও ঠিক আগে। কিন্তু মাকে অপমান করা, মাকে নিয়ে কোনও কথা বলা একেবারেই ঠিক নয়। কিন্তু সবাই জানে, এটা আমাদের আঘাত দেয়। সেই কারণেই এটা সবাই করে।'
সলমনের থেকে সাহায্য
এর আগে অবশ্য একটি সাক্ষাৎকারে মিমো বলেছিলেন, 'সলমন ভাই আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। বরাবরই তিনি আমার পাশে ছিলেন। একজন বড় দাদার মতোই। সলমন বাবাকে ভালোবাসেন। সলমন ভাই আমার বাবাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমাদের উচিত ‘পার্টনার’ ছবিটির স্ক্রিনিং শুরু হওয়ার আগে ‘জিমি’-র টিজারটা দেখানো। এতে দর্শকদের মধ্যে ভাল প্রচার হবে। 'জিমি’ ছবির নাম দিয়েছিলেন সোহেল খান। তবে এই চেষ্টার পরেও মিমোর ছবিটা বক্সঅফিসে ব্যর্থ হয়। এতে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন মিমো।
মিমো বলেছেন, 'আমি আমার পুরো পরিবারের সঙ্গে ‘পার্টনার’ সিনেমাটা দেখতে থিয়েটারে গিয়েছিলাম। ‘পার্টনার’ হাউসফুল ছিল। সলমনের পাশাপাশি বাড়তি আকর্ষণ ছিলেন গোবিন্দ। যখন টিজারটি দেখানো হয়, তখন লোকেরা চুপ করে গিয়েছিল। কিন্তু ৫ সেকেন্ড পরে তারা হাততালি দিতে শুরু করেন। তখন আমার বয়স ২৪ বছর। আমি ভেবেছিলাম, আমি সফল হয়েই গিয়েছি। লোকেরা আমার নাচ দেখে হুইসেল দেয় ও নাচতে শুরু করে। আমি যেন মেঘের ওপর বিচরণ করছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, তারকা হয়ে গিয়েছি। ভাল লাগছিল। কিন্তু শুক্রবার, সিনেমাটা মুক্তি পাওয়ার পর, ফোন বাজা বন্ধ হয়ে যায়। চেক বাউন্স হয়ে যায়। সবই হয় এক ঝলকের মধ্যে। আমার মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবীটাই অন্ধকার। মনে হয়েছিল, আমার জীবন শেষ হয়ে গিয়েছে। এক বছর বাড়ি থেকে বেরোইনি।’ মিমো আরও স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, তাঁর মনোবল বাড়ানোর জন্য তাঁকে ‘সুলতান’ –এর সেটে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সলমন।






















