Rahul Arunoday Death: 'বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলে ভাই, বড় তাড়াতাড়ি…' রাহুলের অকাল প্রয়াণের পর স্মৃতিচারণায় টোটা
Rahul Arunoday Demise: 'অনেক কিছু পাওয়ার ছিল ওর কাছ থেকে। অভিনেতা হিসেবে, লেখক হিসেবে, মানুষ হিসেবে। বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলে ভাই, বড় তাড়াতাড়ি।'

Rahul Arunoday Death: 'বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলে ভাই, বড় তাড়াতাড়ি…'
রাহুল অরুণোদয়ের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সকলেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় টোটা রায়চৌধুরীও লিখেছেন, 'কিছু মানুষ আসে ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুধু নিতে। কিছু মানুষ আসে যাদের কাছ থেকে ইন্ডাস্ট্রির অনেক কিছু পাওয়ার থাকে। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর পর্যায়ভুক্ত। অনেক কিছু পাওয়ার ছিল ওর কাছ থেকে। অভিনেতা হিসেবে, লেখক হিসেবে, মানুষ হিসেবে। বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলে ভাই, বড় তাড়াতাড়ি।'
একটি ছবিও শেয়ার করেছেন টোটা। অভিনেতা জানিয়েছেন, সেই ছবি দার্জিলিং জমজমাট সিরিজের আউটডোর শ্যুটের। দার্জিলিংয়ে শ্যুটিং শেষ করার পর রাহুলই অনুরোধ করেছিলেন একটা ছবি তোলার। তখন তোলা হয় ওই ছবি। পাশাপাশি টোটা এও জানিয়েছেন, এটাই রাহুলের সঙ্গে তাঁর তোলা একমাত্র ছবি যা সংগ্রহে রয়েছে। ফেসবুকে পোস্টে রাহুলের দিলখোলা স্বভাব, মজার কথা বলা, নিখাদ আড্ডা দেওয়ার কথা - সবই লিখেছেন টোটা। অভিনেতা জানিয়েছেন, দার্জিলিংয়ে শ্যুটিং সময় হোটেলে দুটো ঘর দেওয়া হয়েছিল তাঁদের। কিন্তু শ্যুটিংয়ের বিরতিতে সকলে ভিড় করতেন রাহুলের ঘরেই। চলত আড্ডা। হইহই করে মজা করতেন সকলে।
রাহুলের সঙ্গে তাঁর প্রথম আলাপ ফুটবলের সূত্র ধরে, সেকথাও ফেসবুকে পোস্টে লিখেছেন টোটা। তিনি লিখেছেন, '১৩ই অগাস্ট ২০০৮। বুধবার। তারিখটা মনে আছে তার কারণ ঠিক দুদিন পরেই বিজয়গড় কলোনির এক সাধারণ ছেলে রাতারাতি বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের নয়নের মণি হয়ে উঠবে। সম্ভবত ইস্টবেঙ্গল মাঠে, ফুটবল ভেটেরেন্স বনাম আর্টিস্ট ফোরামের এক প্রদর্শনী ম্যাচ। খেলা শুরু হবার আগে হঠাৎ করে আমাদের টিমের এক সহ খেলোয়াড় ঝুপ করে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বলল, দাদা আমি অরুণোদয়। আমি হতচকিত হয়েও সামলে নিয়ে বললাম, তোমার ছবির ট্রেলারটা দারুণ লাগলো। আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল। ও তখন হাত দুটো ধরে বলল, আশীর্বাদ করো দাদা। সেই প্রথম দর্শনেই ওর সারল্য ও ভদ্রতা আমায় মুগ্ধ করেছিল।'
এখানেই শেষ নয়, এরপর রাহুলের সঙ্গে ফুটবল নিয়ে একটি ছবি করার ব্যাপারেও কথা হয়েছিল টোটা রায়চৌধুরীর। তিনি জানিয়েছেন, প্রথম আলাপের বছর দেড় পর রাহুল ফোন করেছিলেন তাঁকে। জানিয়েছিলেন ১৯১১ সালের মোহনবাগানের সেই ঐতিহাসিক শিল্ড জয় নিয়ে একটা ছবি করার কথা ভাবছেন। গোষ্ঠ পালের চরিত্র যাতে টোটা রায়চৌধুরীই করেন, সেকথাও ফোনে বলেছিলেন রাহুল। ফেসবুক পোস্টে টোটা লিখেছেন, 'আমি এক কথায় রাজি হওয়াতে আমতা আমতা করে জিজ্ঞেস করল; ইয়ে, কত বাজেট ধরব তোমার? আমি হেসে বললাম, তোমার পছন্দের সংখ্যা চেক-এ বসিয়ে দিও। খানিক নিস্তব্ধতার পর ওর স্বভাবসিদ্ধ উচ্ছাস সমেত একটা জোরালো থ্যাংক ইউ! না, ছবিটা হয়নি কিন্তু তারপর যতবার দেখা হয়েছে ফুটবল নিয়ে বিশেষ করে বাংলার ফুটবল নিয়ে অল্প হলেও আলোচনা হত। ফুটবলপাগল বলতে যা বোঝায় ও তাই ছিল।'






















