Piyush Mishra Targets Naseeruddin Shah: নসীরুদ্দিন শাহকে বেনজির আক্রমণ কঙ্গনা রানাউতের, পাশে পেলেন বলিউডের আর এক অভিনেতাকে?
Kangana Attacks Naseeruddin: নসীরুদ্দিন শাহকে আক্রমণ পীযূষ মিশ্রের। বেনজির ভাষায় আক্রমণে কঙ্গনা রানাউতও।

মুম্বই: প্রবীণ অভিনেতা নসীরুদ্দিন শাহকে বেনজির আক্রমণ বিজেপি-র তারকা সাংসদ কঙ্গনা রানাউতের। নসীরুদ্দিনকে ‘ধূর্ত’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। তবে শুধু কঙ্গনা নয়, নসীরুদ্দিনকে নিশানা করেছেন বলিউডের আর এক অভিনেতা, পীযূষ মিশ্র। ঝাড়খণ্ডে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে নসীরুদ্দিন নীরব কেন, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। (Kangana Attacks Naseeruddin)
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ডাকে NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজধানী দিল্লি-সহ গোটা দেশ। সেই নিয়ে বলিউডের প্রথম সারির তাবড় তারকাদের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নসীরুদ্দিন। তাঁর বক্তব্য ছিল, “বিবেকের সাড়া পেলে হয়ত মুখ খুলবেন ওঁরা। কথায় আছে: মুখে হাড় থাকা কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। মুখ থেকে হাড় পড়ে গেলে অথবা দাঁত ভেঙে গেলে হয়ত ডাক বেরোবে।” (Piyush Mishra Targets Naseeruddin Shah)
আরও পড়ুন: চাঁদে এবার মানুষের ঠিকানা, ঘাঁটি নির্মাণে ISRO-কে আহ্বান NASA-র, কী করবে চিন?
ছাত্র আন্দোলনে যখন উত্তাল দিল্লি, সেই সময় ওই মন্তব্য করেন নসীরুদ্দিন। ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি। সেই আবহেই নসীরুদ্দিনকে নিশানা করেন পীযূষ। তাঁর প্রশ্ন, “এখন কোন কুকুরের মুখে হাড় রয়েছে?” পীযূষ বলেন, “একটা বিষয় মাথায় গেঁথে গিয়েছে আমার। CJP আন্দোলনের সময় নসীর সাহেব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ‘মুখে হাড় থাকা কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না’ বলেছিলেন। ক্ষমা করবেন নসীর সাহেব। সম্মান জানিয়েই বলছি, জানতে ইচ্ছে করছে, এখন কারা কুকুর? কাদের মুখে হাড় রয়েছে?”
পীযূষের ওই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই ফের নসীরকে আক্রমণ করতে নেমে পড়েন কঙ্গনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পীযূষের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আসল কথা বল সকলেই কারও না কারও পোষা কুকুর। তবে আমি গর্ব অনুভব করি যে আমি যার (দেশের) রুটি খাই, তাকে রক্ষা করি, তার জন্য লড়াই করি। নসীর সাহেব খান এই দেশের, কিন্তু লড়াই করেন প্রতিবেশী দেশের হয়ে। বলে রাখা ভাল, আজকের দিনে মানুষকে কুকুর বললে, তা প্রশংসাসূচকই হয়। কারণ আনুগত্য এবং মিষ্টি স্বভাব সচরাচর মেলে না। নসীরুদ্দিনের মতো ধূর্ত শেয়াল হওয়ার চেয়ে কুকুর হওয়া ভাল’।
আরও পড়ুন: ধ্রুব রাঠীর ভিডিও সরাল Google, ভারতে আর দেখা যাবে না, ঠিক কী ছিল তাতে?
কঙ্গনার মন্তব্যে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি নসীরুদ্দিন। পীযূষের মন্তব্যের পাল্টাও কোনও মন্তব্য করেননি। তবে কঙ্গনার এই মন্তব্য তিনি সমর্থন করেন কি না, তা নিয়ে কিছু জানাননি পীযূষও। ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে গোড়া থেকেই সরব কঙ্গনা। আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণও করেছিলেন তিনি। এমনকি ওই সব ছাত্রছাত্রীর মা-বাবাকেও রেয়াত করেননি। ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানানো নসীরুদ্দিনকে এবার নিশানা করলেন তিনি। পড়শি দেশের সমর্থক বলে নসীরুদ্দিনকে প্রকারান্তরে তিনি পাকিস্তানপন্থী বললেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা হিসেবে স্বীকৃত, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত, ৭৬ বছর নসীরুদ্দিনকে নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ায়।






















