Ritabhari-Ankush: প্রেমিককে ভয় দেখাতে চান ঋতাভরী, অঙ্কুশ ভূতের মতো ভয় পান ঐন্দ্রিলাকে!
Bhanupriya Bhuter Hotel: হঠাৎ করে যদি ভূত হয়ে যান, তাহলে কাকে ভয় পাওয়াতে চান ঋতাভরী চক্রবর্তী? নায়িকার উত্তর, 'সুমিতকে (ঋতাভরীর প্রেমিক)। এ ছাড়া আর কারও কথা ভাবতেই পারব না।'

কলকাতা: এবার বড়পর্দায় মজার মোড়কে আসবে এক ভূতের গল্প। জানুয়ারি মানে মুক্তির অপেক্ষায় শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shiboprosad Mukherjee) আর নন্দিতা রায় (Nandita Roy)-এর প্রযোজনায় আর অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল'। আর সেই ছবির অভিনব প্রচারেই টিম পৌঁছেছিল বিভিন্ন জায়গায়। ঋতাভরী চক্রবর্তী (Ritabhari Chakraborty) থেকে শুরু করে মালবিকা সেন (Malobika Sen), মীর আফসর আলি (Mir Afsar Ali) আর অঙ্কুশ হাজরা (Ankush Hazra)... ভূত নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।
হঠাৎ করে যদি ভূত হয়ে যান, তাহলে কাকে ভয় পাওয়াতে চান ঋতাভরী চক্রবর্তী? নায়িকার উত্তর, 'সুমিতকে (ঋতাভরীর প্রেমিক)। এ ছাড়া আর কারও কথা ভাবতেই পারব না।' মালবিকা সেন আবার বলছেন, 'আমার সবচেয়ে যে কাছের, আমার বোন, তাকে ভয় পাওয়াতে চাইব।' মীর বলছেন, 'আমি ভয় পাওয়াতে চাই অনীক দত্তকে। উনি একটা ভূতের সিনেমায় আমায় কাস্ট করেছিলেন। তারপর থেকে সেই ভূত আমায় আজও তাড়িয়ে বেড়ায়।' ভূতের রাজার সঙ্গে দেখা হলে, ঋতাভরী চান, তিনি যেন সবার সব ষড়যন্ত্র শুনে আসতে পারেন। পাশাপাশি চান, যেন তিনি যাই ছোঁন, সেটা টাকায় পরিণত হয়। অঙ্কুশ চান অদৃশ্য হতে। মালবিকা চান, তিনি যেন সারা জীবন সুন্দর হয়ে থাকতে পারেন। মীর আরও চান, সবার মনের সব কথা পড়ে ফেলতে আর তা নিয়ে একটা গল্প তৈরি করতে।
কোনও রাজপ্রাসাদে থাকতে গিয়ে যদি ভূতের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়? ঋতাভরী চান, ভূত যেন তাঁকে ঘাড় মটকে মেরে ফেলে। মীর মনে করেন, ঘরে ভূত আসলে সবার আগে তাঁকে বাথরুম দেখিয়ে দিতে হবে। কারণ ভূত দেখলে মীরের সবার আগে বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হবে। মালবিকা অবশ্য চান যদি কখনও ভূতের সঙ্গে দেখা হয়, তাঁর সঙ্গে আলাপ করতে। তাঁর মনে কী কী দুঃখ রয়েছে সেগুলো জানতে। প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, ভূতের সঙ্গে ১টা রাত কাটাবেন নাকি প্রাক্তন প্রেমিক প্রেমিকার সঙ্গে? প্রত্যেকেই অবশ্য এই প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, 'এক্স'-এর সঙ্গে রাত কাটানোর চেয়ে ভূতের সঙ্গে রাত কাটানো ভাল। অঙ্কুশ অবশ্য জানতে চেয়েছেন, ভূত ছেলে না মেয়ে?
জীবনে সবচেয়ে বেশি, ভূতের মতো কাকে ভয় পান এই অভিনেতা অভিনেত্রীরা? অঙ্কুশ বলছেন, তিনি নাকি সবচেয়ে বেশি ঐন্দ্রিলাকে ভয় পান। কারণ ঐন্দ্রিলার মেজাজ নাকি ভূতের মতোই। কখন আসবে বোঝা যায় না। ঋতাভরী সবচেয়ে বেশি ভয় পান পরিচালক অরিত্রকে। মীর সবচেয়ে বেশি ভয় পান তাঁর মাকে!






















