Saif Ali Khan: ধৃত শরিফুলের সচিত্র পরিচয়পত্র হাতে এল পুলিশের, কী কী জানা গেল সেফের ওপর হামলাকারী সম্পর্কে?
Saif Ali Khan News: সেফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ শরিফুল ইসলামকে

কলকাতা: সেফ আলি খানের (Saif Ali Khan) ওপর হামলার ঘটনায় ধৃত শরিফুল ইসলাম বাংলাদেশেরই বাসিন্দা, সেই তথ্যে সিলমোহর দিল মুম্বই পুলিশ। শরিফুলের কাছ থেকে মিলেছে বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অন্য়ান্য আরও কিছু নথি। তবে সবটাই বাংলাদেশের। ধৃতের কাছ থেকে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র মেলেনি বলেই জানিয়েছে মুম্বই পুলিশ। আজ পুলিশের হাতে এসে পৌঁছেছে ধৃতের সচিত্র পরিচয়পত্র। সেখানে নাম রয়েছে ধৃতের বাবা ও মায়ের। এছাড়াও রয়েছে বাড়ির ঠিকানা। সেই কারণেই, এই ব্যক্তির বাড়ি যে আসলে বাংলাদেশে, তা নিয়ে নিঃসন্দেহ পুলিশ। ২০১৯ সালে ইস্যু করা ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে জানা গিয়েছে, ধৃত শরিফুল আদতে বাংলাদেশের বরিশাল সদর এলাকার বাসিন্দা। জন্ম ১৯৯৪ সালের ১২ মার্চ। তাঁর বাবার নাম মহম্মদ রুহুল আমিন।
অন্যদিকে, সেফ আলি খানের (Saif Ali Khan)-এর ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ শরিফুল ইসলামকে। তবে আজ এই ঘটনায় বিস্ফোরক দাবি করলেন ধৃত শরিফুলের বাবা। তিনি বলছেন, 'সিসিটিভিতে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, সে আমার ছেলে নয়। যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে আমার ছেলে'। অর্থাৎ ধৃত মহম্মদ শরিফুল ইসলামের বাবার দাবি, সেফ আলি খানের বাড়ির ক্যামেরায় ধরা পড়া ব্যক্তি আর যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই দুই ব্যক্তি আলাদা।
আজ টেলিফোনে এবিপি আনন্দের প্রতিনিধিকে ধৃত মহম্মদ শরিফুল ইসলামের বাবা, রুহুল আমিন ফকির বলেছেন, 'সিসিটিভিতে যে ছবি ধরা পড়েছে, তা আমি ভাল করে দেখেছি। সিসি টিভিতে যে ছেলেটিকে দেখা গিয়েছে, তার সামনের চুল এতটাই বড় যে চোখ ঢেকে যায়। আমার ছেলে এত বড় চুল রাখে না। চেহারাও অন্যরকম। আপনাদের ভারতবর্ষ তো বিশাল। কারও সঙ্গে কারও চেহারার কিছু না কিছু মিল থাকে। বাংলাদেশের একটা ছোট্ট প্রদেশেই একরকম দেখতে অনেক মানুষ রয়েছেন। আমাকেই তো অনেকে অনেকবার অন্য মানুষের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন। ভারতবর্ষতেও তো এমন কোনও কোনও মানুষের সঙ্গে অন্য মানুষের মুখের মিল থাকতে পারে। আমার ছেলে এরকম চুল রাখে না। দুটো ছেলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। দুটো ছবি আলাদা'।
জানা যাচ্ছে, পরিবারের সঙ্গে নাকি দীর্ঘদিনের যোগাযোগ নেই শরিফুলের। সেই কারণেই সে চুলের ধরণ বদলেছে কি না, তা জানার কথা নয় পরিবারের। পুলিশ সূত্রে আজও জানা যাচ্ছে, শরিফুল শিলিগুড়ি ও মেঘালয়ে গিয়েছিলেন, এই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে, কেন সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীতে আটকানো গেল না?






















