Samik Bhattacharya on Jaya Ahsan: দেদার ছবির প্রচার কিন্তু বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে চুপ কেন? জয়া আহসানকে বিঁধলেন শমীক ভট্টাচার্য
Samik Bhattacharya on Bangladesh Issue: বারে বারেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। এক এক সময়, বিভিন্ন জায়গায় উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি।

কলকাতা: বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বারে বারেই অশান্ত হয়ে উঠছে সেখানকার পরিবেশ। সদ্যই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি। গত ১৭ জুলাই দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে গোলাপগঞ্জে, জারি হয় কার্ফু। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান, শেখ হাসিনার জেলা গোপালগঞ্জ আওয়ামি লীগের গড় বলে পরিচিত। গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জের‘ ডাক দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি NCP। সেখানে মঞ্চ ভাঙচুর ও হামলা চালান আওয়ামি লীগ ও ছাত্র লীগের নেতা-কর্মীরা, খবর প্রথম আলো সূত্রে। এমনকি হামলার মুখেও পড়েন NCP নেতারা, শেষপর্যন্ত সেনা পাহারায় তাঁদের সমাবেশস্থল ছাড়তে হয়। DC-র বাসভবন, জেল চত্বরের আশেপাশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের ওপর হামলা, গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটেছে। ঢাকার বাইরে অন্তত ২০টি জায়গায় সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। সাউন্ড গ্রেনেড ও গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে বাংলাদেশ পুলিশ।
তবে কেবল এই একটা বিষয় নয়, বারে বারেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। এক এক সময়, বিভিন্ন জায়গায় উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি। আর এবার, এই পরিস্থিতি নিয়ে কোনও রকম প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার জন্য অভিনেত্রী জয়া আহসানকে বিঁধলেন বিজেপির রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। সদ্য জয়া আহসানের নতুন সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, 'ডিয়ার মা'। এই সিনেমার প্রচারেই আপতত কলকাতায় রয়েছেন অভিনেত্রী। বিভিন্ন জায়গায় যেতে হচ্ছে তাঁকে। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ না খোলার জন্য এবার জয়া আহসানকে বিঁধলেন শমীক।
এদিন একটি সভায় শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'জয়া আহসান (Jaya Ahsaan) বলে একজন অভিনেত্রী রয়েছেন। বিভিন্ন বড় বড় সামাজিক অনুষ্ঠানেও তাঁকে দেখা যাচ্ছে হাসিমুখ নিয়ে তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন। বড় মাপের অভিনেত্রী। তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই মুহূর্তে কলকাতায় রয়েছেন। আমি তো ২ দিন দুটো অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখলাম তিনি সামনে গিয়ে বসেছেন, মঞ্চ আলো করে। একবারও বলেছেন যে, বাংলাদেশে যাচ্ছে, সেটা অন্যায় হচ্ছে? ওপারে যাঁরা ঘোষ, বোস, দত্ত, মিত্র, গুহঠাকুরতা রয়েছেন, যাঁরা মতুয়া রয়েছেন, যাঁরা রাজবংশী রয়েছেন, যাঁরা জৈন রয়েছেন, যাঁরা আগরওয়াল রয়েছেন, যাঁরা বৌদ্ধ রয়েছেন.. ওঁরা তো আমাদের রক্ত, আমাদের ভাই। আমাদের রাজনৈতিক রাষ্ট্রনেতাদের দূরদর্শীতার অভাবের কারণে, ব্রিটিশের কাছে আমাদের আত্মসমর্পণের কারণে, আমরা গৃহযুদ্ধে যাব না, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার দৃঢ়তার অভাবে আজ ওই মানুষগুলো ওখানে পড়ে রয়েছেন।'
View this post on Instagram






















