Kiran Rao: প্রথম সিনেমা বানানোর পরে কেন ১০ বছরের বিরতি নিয়েছিলেন কিরণ রাও? প্রকাশ্যে আনলেন আমির খান
Aamir Khan: সদ্য দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে কিরণ রাওয়ের ছবি পরিচালনা ও কাজ নিয়ে কথা বলেছেন আমির

কলকাতা: ক্যামেরার পিছনে দাঁড়িয়েই দর্শকদের মন জয় করেছিলেন তিনি। তবে প্রথম ছবি আর দ্বিতীয় ছবির মধ্যে ১০ বছরের পার্থক্য!। কিরণ রাও (Kiran Rao)-এর পরিচালক সত্ত্বা বারে বারেই মুগ্ধ করেছে দর্শককে। তবে কেন একটি ছবি থেকে আরেকটা ছবির দূরত্ব এত বেশি? ২০১১ সালে কিরণ রাও তৈরি করেছিলেন, ‘ধোবি ঘাট’। আর তারপরে ২০১৪ সালে কিরণ রাও তৈরি করেন, ‘লাপাতা লেডিজ’। কিন্তু কেন দ্বিতীয় ছবি বানাতে এতটা সময় নিলেন কিরণ রাও? এই বিষয়ে এবার মুখ খুললেন আমির খান।
কেন কিরণের সিনেমা প্রযোজনা করেছেন আমির খান?
সদ্য দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে কিরণ রাওয়ের ছবি পরিচালনা ও কাজ নিয়ে কথা বলেছেন আমির। তিনি জানিয়েছেন, ১০ বছরের এই অপেক্ষা অনেকাংশে তাঁর ছেলে আজাদ রাও খানের জন্য ছিল। যখন আমিরকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে ‘ধোবি ঘাট’ তেমন ব্যবসা সফল না হওয়া সত্ত্বেও তিনি কেন কিরণের দ্বিতীয় পরিচালিত ছবি প্রযোজনা করেছেন, তখন আমির স্পষ্ট করেন যে তিনি শুরু থেকেই এই ছবিটিকে মূলধারার ছবি হিসাবে দেখেননি।
আমিরের কথায়, 'আসলে, কিরণের ছবি ‘ধোবি ঘাট’ কোনও মূলধারার ছবি নয়, তাই আমি এটিকে মূল ধারার ছবি হিসাবে দেখি না। এটি একটি বিশেষ ছবি এবং এটি একটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল মানুষের জন্য। সেই সংবেদনশীল মানুষের জন্য, কিরণ ছবি বানাচ্ছিলেন, তিনি সেটা সৎভাবে বানাচ্ছিলেন। তিনি এটিকে মূলধারার বানানোর চেষ্টা করেননি, তিনি এটিকে সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে তৈরি করেছেন।'
বানিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে কিরণ রাওয়ের সিনেমার?
আমির আরও বলেন যে তাঁর সবসময় মনে হয়েছে কিরণ রাওয়ের সিনেমার মধ্যে একটা বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেটা তিনি প্রকাশ করেন না। আমির আরও জানান, 'ধোবি ঘাট'-এর পরেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, কিরণ পরিচালক হিসেবে খুব ভাল। তিনি দর্শকদের অনুভূতি বোঝেন। আমির কিরণকে পরামর্শ দিয়েছিলেন মূলধারার ছবি পরিচালনা করার জন্য।
কেন কিরণ রাও ‘ধোবি ঘাট’-এর ১০ বছর পর ‘লাপাতা লেডিজ’ বানালেন?
দুটি সিনেমার মধ্যে এক দশকের এই বিরতি কিরণের মাতৃত্বের কারণে ছিল। আমির বলেন, 'ছেলে আজাদের কারণে কিরণ দীর্ঘদিন কাজ করেননি এবং আমি অনুভব করেছি যে একজন মহিলা হিসাবে কিরণের প্রথমে আজাদকেই গুরত্ব দিয়েছিলেন। একজন সৃজনশীল মানুষ হিসাবে কিরণ চেষ্টা করলেই আবার ফিরে আসতে পারবেন, এ কথা তিনি জানতেন। তিনি জানতেন যে, যদি তিনি কোনও ছবি শুরু করেন, তবে সেটাতেই সম্পূর্ণ সময় দেবেন তিনি। তাই মাতৃত্বের কারণে, তিনি যতক্ষণ না আজাদ একটা নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছেছে, ততদিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন কিরণ। একটা সময় পরে আজাদ যখন বড় হয়ে যায়, তখন কিরণ আরেকটা সিনেমা করার সিদ্ধান্ত নেন।'























