এক্সপ্লোর
জেলবন্দিদের সাহায্যে করোনা মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী বানিয়ে নিচ্ছেন মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্যকর্মীরাই
বেতুল জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডঃ অঙ্কিতা সিতে বলেছেন, বন্দিরা এপর্যন্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের টিমকে ৩০টি সুরক্ষামূলক পোশাক সরবরাহ করেছেন।

ভোপাল: করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নামা ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীরা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের চরম ঘাটতি থাকায় কঠিন সমস্যায় পড়ছেন। এবার তাঁদের জন্য জেলবন্দিদের সাহায্যে কম দামের সুরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির ব্য়বস্থা করলেন মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্য দপ্তরের অফিসাররা। করোনাভাইরাস আক্রান্ত লোকজনের চিকিত্সা করা স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সুরক্ষা সামগ্রীর চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। তাই বেতুলের স্বাস্থ্য দপ্তরের লোকজন নিজেরাই নিজেদের সুরক্ষা সরঞ্জাম বানিয়ে নিচ্ছেন জেলার কারাবন্দিদের দিয়ে। বেতুলের চিফ মেডিকেল অ্যান্ড হেলথ অফিসার ডঃ জি সি চৌরাসিয়া বলেছেন, আমরা নিজেদের পিপিই কিট বানিয়ে নিয়েছি, যার মধ্যে আছে এমন এক ধরনের পোশাক, যা সেলাই করেছেন জেলার কারাগারের বন্দিরা। এর কাঁচামাল আনা হয়েছে পাশের ছিন্দওয়ারা জেলা থেকে। অর্থের সংস্থান করেছেন স্থানীয় সাংসদ। এই বন্দিরা এর আগে মাস্কও বানিয়েছেন যা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বেতুল জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডঃ অঙ্কিতা সিতে বলেছেন, বন্দিরা এপর্যন্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের টিমকে ৩০টি সুরক্ষামূলক পোশাক সরবরাহ করেছেন। ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাকের মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীরা প্লাস্টিক দিয়ে ফেস শিল্ড বা মুখ বাঁচানোর বর্মও তৈরি করেছেন, যা পোশাকের সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে। বেতুলের শাহপুর ব্লক মেডিকেল অফিসার ডঃ শৈলেন্দ্র সাহু বিদেশি ভিডিও দেখে স্থানীয় বাজার থেকে পাওয়া মালমশলা দিয়েই মুখ ঢাকার বর্ম বানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অনলাইনে বা এলাকার বাজারে এধরনের বর্ম পাওয়া যাচ্ছে না দেখে আমরা শাড়ি, হেয়ার ব্যান্ড, টেপ, আঠাজাতীয় জিনিস প্যাক করতে লাগে, এমন প্লাস্টিকের শিট দিয়েই শিল্ড বানিয়েছি। জেলার স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া সুরক্ষা কিটের মধ্যে এটাও আছে। পিপিই কিটের পোশাকের দাম প্রায় ১৫০ টাকা, এতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত বলে জানিয়েছেন জেলার আমলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক যোগেশ পানডাগরে। তিনি নিজেও ডাক্তার, কিট বানাতে সাহায্যও করেছেন। এই সুরক্ষা কিটের কাপড়ের গুণমান যে কোনও বড় কোম্পানির তৈরি পণ্যের সমমানের বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনার ফয়েজ আহমেদ কিদোয়াই স্বাস্থ্যকর্মী, হাসপাতাল, কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রে থাকা কর্মীদের বেশি প্রয়োজন এই ধরনের ব্য়ক্তিগত সুরক্ষা কিট বুঝেশুনে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। রাজ্যে পিপিই কিট, এন ৯৫ মাস্কের অপ্রতুলতা থাকায় এধরনের সুরক্ষা সামগ্রীর বাস্তবসম্মত ব্য়বহারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
Before You Go
West Bengal Assembly: বিধানসভায় পাস হয়ে গেল OBC সংরক্ষণ সংশোধনী বিল | OBC Bill | ABP Ananda

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















