Ajit Pawar News : বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর আগে শেষ ফোন কলে কী বলেছিলেন অজিত পাওয়ার ? অডিও প্রকাশ NCP-র
Maharashtra News : গত ২৮ জানুয়ারি বারামতী বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের চেষ্টা করার সময় ভেঙে পড়েছিল বিমানটি।

মুম্বই : অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর পর তাঁর বিমানের দুর্ঘটনা নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে আসছিল। যা প্রাথমিক স্তরেই খারিজ করে দিয়েছিলেন তাঁর কাকা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক শরদ পাওয়ার। আর এবার বিমান দুর্ঘটনার আগে অজিত পাওয়ারের ফোনে শেষ কথোপকথনের অডিও প্রকাশ করল ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (NCP)। মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে অজিত পাওয়ারের কথা হয়েছিল দলেরই এক সদস্য শ্রীজিত পাওয়ারের সঙ্গে। গত ২৮ জানুয়ারি বারামতী বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের চেষ্টা করার সময় ভেঙে পড়েছিল বিমানটি।
ফোনে তাঁর শেষ কথোপকথনে, ঐক্যের বার্তা দিয়েছিলেন অজিত পাওয়ার। সব ধর্ম ও জাতিকে একসঙ্গে নিয়ে চলার কথা বলেছিলেন। সেই ফোন কলের কথা মনে করে শ্রীজিত পাওয়ার জানান, তিনি অজিত পাওয়ারকে একটি মেসেজ পাঠিয়েছিলেন (মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে যিনি 'দাদা' নামে পরিচিত) । নেটওয়ার্ক কভারেজের আওতায় এলেই তাঁকে ফোন করার কথা বলেছিলেন শ্রীজিত। তাঁর সংযোজন, "অজিত দাদা আর আমি একই গ্রামের। একটা ব্যাপারে ওঁকে আমি মেসেজ পাঠিয়েছিলাম। বলেছিলাম, নেটওয়ার্ক কভারেজে এলেই ফোন করতে। উনি করেওছিলেন। উনি বলেছিলেন সব ধর্ম ও জাতিকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে।"
দল কী বিশ্বাস করে সেই বার্তা যাতে জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, সেইজন্যই এই অডিও প্রকাশ্যে আনা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শ্রীজিত বলেন, "এই অডিও কল রেকর্ড সবারই সামনে আনা হয়েছে যাতে মহারাষ্ট্র বুঝতে পারে যে তাঁর নিঃশ্বাস পর্যন্ত অজিত দাদা কী ভাবতেন।"
১৯৯১ সালে বারামতী লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৩৫ বছর পর সেই বারামতীতেই মর্মান্তিকভাবে শেষ হয় জীবনের অধ্যায়। দিনকয়েক আগে মুম্বই থেকে বারামতীতে ভোট প্রচারে যাওয়ার সময় বিমান ভেঙে মৃত্য়ু হয় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ও NCP প্রধান অজিত পাওয়ারের। এরপর গত বৃহস্পতিবার বারামতীতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস, অজিত পাওয়ারের কাকা ও NCP প্রধান শরদ পাওয়ার। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপচে পড়েছিল এনসিপির কর্মী-সমর্থকদের ভিড়। অজিত পাওয়ারের মৃত্যু নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সেই আবহে শরদ পাওয়ার বিবৃিতে দিয়েছিলেন, এই দুর্ঘটনা অত্য়ন্ত দুঃখের। এই ক্ষতি কোনওদিন পূরণ হবে না। এর (মৃ্ত্য়ু) মধ্য়ে কোনও রাজনীতি নেই, এটা কেবলই দুর্ঘটনা।
























