NEET Protest : আজই CJP-র সঙ্গে বসছে সরকার, তার আগেই বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, শিক্ষা সচিবকে সরাল সরকার
আজ বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ CJP-র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরকারের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠক অচলাবস্থা কাটাতে কতটা সাহায্য করবে, সেদিকেই নজর সবার।

নয়া দিল্লি : প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে উত্তাল দেশ, শুক্রবার সরকার-আন্দোলনকারীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হচ্ছে। এর মধ্যেই আজ বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ CJP-র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরকারের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠক অচলাবস্থা কাটাতে কতটা সাহায্য করবে, সেদিকেই নজর সবার।
অন্যদিকে, আন্দোলনের আবহে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় শিক্ষাসচিব বিনীত জোশীকে বদলি করে নতুন শিক্ষাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নরেশ পাল গাঙ্গোয়ারকে। বিনীত জোশীকে পঞ্চায়েত মন্ত্রকে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা এখনও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থানেই রয়েছেন। ক্রমাগত বেড়েই চলেছে আন্দোলনের ঝাঁঝ। তাঁদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার বিরোধিতায় ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে এখনও রাস্তায় হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে ধর্না দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। যা নিয়ে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।
তার প্রতিবাদে এদিন অধিবেশন শুরুর আগে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ দেখায় NDA। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সেই বিক্ষোভে দেখা যায় NCPI সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শতাব্দী রায়কে।
এদিকে, টানা ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন সোনম ওয়াংচুক। গুরুগ্রামের মেদন্ত হাসপাতালে তিনি অনশন প্রত্যাহার করেন। সেই সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং। অনশন ভাঙার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনম ওয়াংচুক সকলের উদ্দেশে আবেদন জানান, "কোথাও কোনও ভাবে যাতে হিংসা না ছড়ায়, সেই বিষয়ে সকলে যেন সতর্ক থাকেন।" গত ২৮ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাঁকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁকে গুরুগ্রামের মেদন্ত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, সেখানেই বৃহস্পতিবার তিনি অনশন প্রত্যাহার করেন।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা আমাদের যুব সমাজের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের রেয়াত করা হবে না।
আরও পড়ুন : প্রশ্নফাঁস বিতর্কে উত্তাল রাজধানী, প্রভাব পড়বে এ রাজ্যেও? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন ...
Before You Go
Santosh Mitra Square: ভিড় সামলাতে কী ব্যবস্থা, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘুরে দেখে কী বললেন CP?






















