পহেলগাঁও হামলার পর বিহার থেকেই দিয়েছিলেন প্রত্যাঘাতের হুমকি,এবার হাত ছেড়ে মোদি-শিবিরে বহু কংগ্রেস নেতা
ভোটমুখী বিহারে রাহুলের হাত ছেড়ে মোদির দিকে হাত বাড়ালেন বিহারের ১৭ কংগ্রেস নেতা। আর বিজেপি বলছে, এই তো সবে শুরু !

পটনা: দেশের শত্রুরা ভারতের আত্মার উপর হামলা করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। ১৪০ কোটি ভারতীয়র ইচ্ছাশক্তি সন্ত্রাসবাদীদের কোমর ভাঙবে। পহেলগাঁও হামলার পর ভোটমুখী বিহারের মাটি থেকেই জঙ্গিদের ঠিক এই ভাষাতেই প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণার পর থেকেই কংগ্রেস এখন ইন্দিরা - প্রসঙ্গ তুলে বিঁধছেন মোদিকে। কিন্তু এই আবহেই ভোটমুখী বিহারে রাহুলের হাত ছেড়ে মোদির দিকে হাত বাড়ালেন বিহারের ১৭ কংগ্রেস নেতা। আর বিজেপি বলছে, এই তো সবে শুরু !
বিহারে কয়েকদিন পরেই রয়েছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। আর তাঁর বিহার সফরের মাত্র কয়েকদিন আগে, সাত জন কংগ্রেস নেতা হাত ছাড়লেন রাহুলের। কাটিহার জেলার ১৭ জন জনপ্রিয় নেতা কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিলেন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা ভোটের আগে, রাহুল গান্ধীর বিহার ভ্রমণের আগে,এই ৭ নেতার দল ছাড়া একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা ।
বিহারে এই দলবদলের ট্রেন্ড শুরু হয় কংগ্রেসের ৬ বারের সাংসদ তারিক আনোয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা একগাদা অভিযোগের পর থেকে । কংগ্রেস-অনুমোদিত শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসির সভাপতি বিকাশ সিংহের নেতৃত্বে নাটকীয়ভাবে দলত্যাগ করেন অনেক কংগ্রেসকর্মী। তাঁদের অভিযোগ এই তারিক আনোয়ারের কাজ কর্ম কথাবার্তায় "উচ্চবর্ণ-বিরোধী মানসিকতা"অত্যন্ত নিন্দনীয়।
বিহারে এই দলবদলের ট্রেন্ড শুরু হয় কংগ্রেসের ৬ বারের সাংসদ তারিক আনোয়ারের বিরুদ্ধে ওঠা একগাদা অভিযোগের পর থেকে । কংগ্রেস-অনুমোদিত শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসির সভাপতি বিকাশ সিংহের নেতৃত্বে নাটকীয়ভাবে দলত্যাগ করেন অনেক কংগ্রেসকর্মী। তাঁদের অভিযোগ এই তারিক আনোয়ারের কাজ কর্ম কথাবার্তায় "উচ্চবর্ণ-বিরোধী মানসিকতা"অত্যন্ত নিন্দনীয়।
হাত শিবিরে এই ভাঙন দেখে বিজেপি বলছে, এটা তো সবে শুরু। বলছেন দলত্যাগী বিকাশ সিংহও। বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনে লক্ষ লক্ষ কংগ্রেস কর্মী বিজেপিতে যোগ দিতে প্রস্তুত। পাটনায় বিহারের মন্ত্রী নীরজ কুমার সিং বাবলুর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগদান করেন ১৭ কংগ্রেস উচ্চবর্ণের কর্মী। বিকাশ সিংহ বলেন, ১৭ জন প্রভাবশালী উচ্চবর্ণের কংগ্রেস নেতার এই দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কারণই তারিক আনোয়ারের পক্ষপাত-নীতি, উচ্চবর্ণ বিরোধী মনোভাব।
এখনও পর্যন্ত তারিক আনোয়ারের জবাব পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাটি যে তাঁর নেতৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে, তা বলাই বাহুল্য।






















