Flood News: ভয়ঙ্কর বৃষ্টিতে ফুঁসছে নদী, উত্তর সিকিম-আসামে প্রকৃতির ধ্বংসলীলা, জলের তোড়ে তলিয়ে গেল প্রাণ!
Assam, North Sikkim Flood Situation:

নয়া দিল্লি: প্রবল বৃষ্টিতে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় একাধিক রাজ্য। আসাম, মণিপুর, ত্রিপুরা, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ এবং অন্যান্য রাজ্যগুলিতে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্ধার অভিযানে নেমেছে বিমান বাহিনী এবং আসাম রাইফেলস।
সূত্রের খবর, উত্তর সিকিমে ১,২০০ জনেরও বেশি পর্যটক আটকে পড়েছেন। রবিবার উদ্ধারকাজ করার কথা ছিল। কিন্তু নতুন করে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ২৯ মে মুন্সিথাং-এ তিস্তা নদীতে গাড়ি ডুবে যাওয়ার পর নিখোঁজ আট পর্যটককে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। উত্তর সিকিমের একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একাধিক এলাকায় ধস নেমেছে। ইতিমধ্যেই লাচুং-লাচেনের বিস্তীর্ণ এলাকা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। চুংথাং থেকে লাচেনের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ। ওই পথে ধসের জেরে রাবম সেতু ভেঙে পড়ে গিয়েছে।ওই ধস সরিয়ে রাস্তা খোলার চেষ্টা চলছে। তবে বৃষ্টিতে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
অন্যদিকে, বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে। এর জেরে সড়ক যোগাযোগ, রেল পরিষেবা বিপর্যস্ত। কয়েক লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা অসমে। রবিবার ব্রহ্মপুত্র, বরাক সহ রাজ্যের ১০টি নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যের ১৫টি জেলার ৭৮ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত। অসম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৫টির বেশি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। রাজ্যের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে সেন্টার ওয়াটার কমিশন।
বিপর্যস্ত ত্রিপুরাও। রবিবার মাত্র তিন ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় সরকারি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে ১ হাজার ৩০০ পরিবার। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ‘গত দু’দিন ধরে প্রবল বৃষ্টির জেরে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।’ তিনি আরও বলেন, রাজধানী আগরতলার অনেক এলাকাই জলমগ্ন। জল সরাতে পাম্প চালু করা হয়েছে। ত্রিপুরায় রবিবার থেকে পাঁচদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি।
এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং দমকলের যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ চলছে। নৌকা ব্যবহার করে দুর্গতদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। জেলা প্রশাসনের তরফে জরুরি সাহায্যের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর।






















