Dhaka Flight Crash: 'যান্ত্রিক ত্রুটিতেই' ভেঙেছে চিনে তৈরি যুদ্ধবিমান? ঢাকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনার নেপথ্যে 'এই কারণ'?
Bangladesh Plane Crash: ২০১৩ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে যুদ্ধবিমানগুলো দেয় চিন। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মোট ৩৬টি এফ-৭ যুদ্ধবিমান রয়েছে।

বাংলাদেশ: ঢাকায় স্কুলের ওপর ভেঙে পড়ল চিনে তৈরি বাংলাদেশের যুদ্ধবিমান। মৃত্যু হল অন্তত ২০ জনের। আহত হয়েছেন দেড়শোরও বেশি। ক্লাস চলাকালীন স্কুল বিল্ডিংয়ের ওপর ভেঙে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। কয়েকদিন আগেই গুজরাতের আমদাবাদে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ওপর ভেঙে পড়েছিল যাত্রীবাহী বিমান, শুধু বিমানের যাত্রীরাই নয়, ভয়াবহ দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের আবাসিক ও আশপাশের এলাকার বহু বাসিন্দার।
আর এবার বাংলাদেশে ভেঙে পড়ল বিমানবাহিনীর ফাইটার জেট। ঢাকার উত্তরায়, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বহুতলের ওপর ভেঙে পড়ল প্রশিক্ষণ বিমানটি। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। আহত ১৭১ জন। নিহত ও আহতদের বেশির ভাগ শিশু ও মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থী। বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দফতর (আইএসপিআর) সোমবার বিমান বিধ্বস্তের পর জানিয়েছে, বিমানটির মডেল ছিল এফটি-৭ বিজিআই। এটি বেলা ১টা ৬ মিনিটে ঢাকার কুর্মিটোলার বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি এ কে খন্দকার থেকে ওড়ার পর যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম মাধ্যম সূত্রে খবর, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর F-7 BGI মডেলের। ২০১১ সালে চিনের সঙ্গে ১৬টি যুদ্ধবিমান সরবরাহের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। ২০১৩ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে যুদ্ধবিমানগুলো দেয় চিন। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মোট ৩৬টি এফ-৭ যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই এফ-৭ বিজিআই ভ্যারিয়েন্ট। এই এফ-৭ বিজিআই মূলত বাংলাদেশের জন্যই আলাদাভাবে তৈরি করেছিল চিন।
চিনের তৈরি এই বিমানগুলি অত্যাধুনিক হলেও, পারফরমান্সের দিক থেকে আহামরি নয়। ২০১৮ সালের নভেম্বরে টাঙ্গাইলের মধুপুরের রসুলপুর ফায়ারিং রেঞ্জে মহড়ার সময় বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজি প্রশিক্ষণ বিমান ভেঙে পড়ে, মৃত্যু হয় পাইলটের। এরপর ২০২১ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটি থেকে ওড়ার পর বঙ্গোপসাগরে ভেঙে পড়ে এফ-৭ এমবি যুদ্ধবিমান। তাতেও মৃত্যু হয় পাইলটের।
নিউইয়র্কভিত্তিক এয়ার ডিফেন্স বিষয়ক ওয়েবসাইট এয়ারফোর্স টেকনোলজির তথ্য অনুযায়ী, ইরান, ইরাক, আলবেনিয়া, নাইজেরিয়া, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও মিসরের এ যুদ্ধবিমান রয়েছে। ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ যুদ্ধবিমানের উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।






















