Bangladesh : ফের ইসলামী চরমপন্থীদের কাছে মাথা নোয়ালেন ইউনূস, বাংলাদেশে বন্ধ সঙ্গীত ও PT-র শিক্ষক নিয়োগ
ইসলামী মৌলবাদীদের আপত্তি থাকায় এবার বাংলাদেশের প্রাথমিক স্কুলে সঙ্গীত ও শারীরশিক্ষার প্রশিক্ষনের দেওয়ার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল হয়ে গেল। মুছে দেওয়া হল নিয়োগ - বিজ্ঞপ্তি।

এবার কি আফগানিস্তানের পথে বাংলাদেশ? বাংলাদেশে কি তালিবান-শাসনের ছায়া? আবারও উগ্রবাদীদের হুঙ্কারে গুটিয়ে গেলেন নোবেল জয়ী ইউনূস। ইসলামী মৌলবাদীদের আপত্তি থাকায় এবার বাংলাদেশের প্রাথমিক স্কুলে সঙ্গীত ও শারীরশিক্ষার প্রশিক্ষনের দেওয়ার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল হয়ে গেল। মুছে দেওয়া হল নিয়োগ - বিজ্ঞপ্তি।
প্রকাশের দুই মাসের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হল ইউনূস প্রশাসনকে। সংশোধিত বিধিমালায় সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগের বিষয়টি বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। রবিবার সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মাসুদ আখতার খান জানান, গত অগাস্টে জারি করা বিধিমালায় ৪ টি শ্রেণীর পদ থাকলেও, নতুন সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে দুটি শ্রেণীই রাখা হয়েছে। সেখানে সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার সহকারী শিক্ষকের পদ রাখা হয়নি। ।
ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলির চাপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে, আখতার খান কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বরং স্থানীয় বিডিনিউজ২৪ কে বলেন, আপনারাই খোঁজ নিন বরং ।
গত অগাস্টে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে চার ধরনের শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। শূন্যপদগুলি ছিল - প্রধানশিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক (সঙ্গীত) ও সহকারী শিক্ষক (শারীরশিক্ষা)। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে কেবল প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের কথাই বলা হয়েছে।
ইসলাম চরমপন্থীরা সরকার পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে কেবল ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পক্ষে দাবি তুলেছিল। শুধু তাই নয়, তাদের দাবি পূরণ না হলে তারা রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক নিয়োগকে অপ্রয়োজনীয়, জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এবং অপ্রাসঙ্গিক বলে দাবি করে। বাংলা দেশের সংবাদপত্র ডেইলি স্টারে সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত এক রিপোর্ট থেকে এ কথা জানা যায়। এরপর থেকেই তারা ইউনূস সরকারের ওপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকে। এরপরই এই নতুন সিদ্ধান্ত।
জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইমা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ইসলামপন্থী সমাবেশে,ইসলামী আন্দোলনের মুখ সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, "আমরা যখন ছোটবেলায় ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতাম, তখন হিন্দু ও মুসলিমদের জন্য আলাদা শিক্ষক ছিল। আমরা তাদের কাছে পড়াশোনা করতাম। কিন্তু এখন, আপনারা সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ করতে চান? তারা কী শেখাবেন? আপনাদের উদ্দেশ্য কী? আপনারা আমাদের সন্তানদের উচ্ছৃঙ্খল এবং চরিত্রহীন করতে চান? আমরা কখনোই তা সহ্য করব না।"






















