Dharmendra Pradhan: ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সংসদে কেন সাদরে স্বাগত ? 'বিলকিস বানো কাণ্ডের' সঙ্গে তুলনা করল কংগ্রেস
Parliament Session : সোমবার সেই প্রধানই সংসদে ঢুকতেই এগিয়ে এলেন অনেকজন, উঠল স্লোগান। যা দেখে বিরোধীরাও মুখ খুলল সরকারের বিরুদ্ধে ।

Parliament Session : নিট প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলনের কাছে মাথা নত করেছে সরকার। শনিবারই পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। এরপরই বিজেপিতে (BJP) প্রধানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছিল প্রশ্ন। সোমবার সেই প্রধানই সংসদে ঢুকতেই এগিয়ে এলেন অনেকজন, উঠল স্লোগান। যা দেখে বিরোধীরাও মুখ খুলল সরকারের বিরুদ্ধে ।
আজ ঠিক কী ঘটেছে ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে
এদিন সংসদে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়ি থামতেই ভিড় করে আসে লোকজন। একবার মন্ত্রী গাড়ি থেকে নামতেই ওঠে স্লোগান। কুকথার পরিবর্তে সাদরে স্বাগত জানানো হয় সাংসদকে। 'ধর্মেন্দ্র প্রধান জিন্দাবাদ' বলে স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির সাংসদরা। যা দেখে স্মিত হেসে সবাইকে নমস্কার করেন ধর্মেন্দ্র। NDA-র এমপিরাও তাঁকে মাথায় অভ্যর্থনার টুপি পরিয়ে দেন, দেওয়া হয় উত্তরীয়। যা দেখে একপ্রকার হতচকিত হয়ে যান ওড়িশার এই সাংসদ। যদিও বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে না কংগ্রেস।
এই অভ্যর্থনাকে ধর্ষকদের অভ্যর্থনার সঙ্গে তুলনা করল কংগ্রেস
বিজেপি এমপিকে এই গ্র্যান্ড ওয়েলকাম নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নয় কংগ্রেস। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে স্বাগতর ঘটনাকে বিলকিস বানোর ধর্ষকদের স্বাগত জানানোর সঙ্গে তুলনা করেছে বিরোধী দল। এই বিষয় মুখ খুলেছেন কংগ্রেসের রাজ্য়সভার এমপি রেণুকা চৌধুরী। এই স্বাগতর বিষয়ে তিনি বলেন, 'এটা ওদের অভ্যেস। বিলকিস বানোর রেপিস্টদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটিয়েছিল ওরা।'
কোন প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেসের এই 'কুকথা'
২০২২ সালে বিলকিস বানো রেপ ও হত্যাকাণ্ডের দোষীরা আগাম ছাড়া পেয়ে যায়। জেলে ভাল ব্যবহারের কারণে ১১জনকে আগাম রিলিজের অনুমতি দেয় গুজরাত সরকার। দেখা যায়, গোধরা জেল থেকে ওই ১১ জন ছাড়া পেতেই তাদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করছে পরিবারের সদস্যরা। কেউ কেউ মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন। যা নিয়ে পরবর্তীকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে। এই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সংসদে স্বাগত জানানোর জন্য বিজেপিকে সেই রেপিস্টদের অভ্য়র্থনার সঙ্গে তুলনা করল কংগ্রেস।
নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে প্রবল বিরোধিতার মুখে শনিবারই পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে সূত্রের খবর, এর আগেই দু'বার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তিনি। যদিও সরকার থেকেই মেনে নেওয়া হয়নি তাঁর প্রস্তাব। কী কারণে পরবর্তীকালে বদলে গেল সিদ্ধান্ত। প্রধানের পদত্যাগে সিলেমোহর দিল সরকার। অবশেষে জানা গেল আসল তথ্য।
২০ জুলাই বসেছিল উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক
ইন্ডিয়া টুডে সূত্রের খবর, নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে প্রবল বিরোধিতার মুখে জরুরি বৈঠকে বসে সরকার। সেখানে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন মন্ত্রীরা। যেখানে আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে চান ধর্মেন্দ্র প্রধান। যদিও সরকারের যুক্তি ছিল, কোনও সমস্যা তৈরি হলে তার সমাধানের দিকে তাকানো উচিত। সেখানে ইস্তফা কোনও কিছুর সমাধান হতে পারে না। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের নির্দেশ দিয়ে সেবারও নেওয়া হয়নি প্রধানের পদত্যাগপত্র।
আরও পড়ুন : ২ বার পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র, আটকায় সরকার, শেষে কী কারণে ইস্তফা গ্রহণ ? সামনে এল সত্য























