Doctor Death: মানুষ মেরে খাওয়ানো হত কুমিরকে, আশ্রমে সাধুবেশে লুকিয়ে 'সিরিয়াল কিলার' ডাক্তার! অবশেষে...
Serial Killer Doctor: এক আয়ুর্বেদ ডাক্তার যিনি তাঁর শিকারদের মেরে কুমিরকে খাইয়ে দিতেন। পুলিশ জানিয়েছে, রাজস্থানের দাউসার একটি আশ্রমে সাধুবেশে লুকিয়ে ছিলেন ওই খুনি ডাক্তার।

নয়া দিল্লি: অনেকদিন ধরেই পুলিশের নজরে ছিলেন ওই চিকিৎসক তথা 'সিরিয়াল কিলার'। বছর সাতষট্টির এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ট্রাক এবং ট্যাক্সিচালকদের খুনের অভিযোগ ছিল। প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার পরেই উধাও হয়েগিয়েছিলেন। অবশেষে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ‘ডক্টর ডেথ’।
পরিচয়? এক আয়ুর্বেদ ডাক্তার যিনি তাঁর শিকারদের মেরে কুমিরকে খাইয়ে দিতেন। পুলিশ জানিয়েছে, রাজস্থানের দাউসার একটি আশ্রমে সাধুবেশে লুকিয়ে ছিলেন ওই খুনি ডাক্তার। দিল্লি, রাজস্থান এবং হরিয়ানায় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গুরুগ্রাম আদালত তাঁর মৃত্যুদণ্ডেরও নির্দেশ দিয়েছে। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আদিত্য গৌতম সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন চিকিৎসক। ২০২৩ সালে প্যারোলে মুক্তি পেতেই পালিয়ে যান। তার পর থেকে তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। সোমবার অবশেষে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার আদিত্য গৌতম জানিয়েছেন, ২০০২ এবং ২০০৪ সালে বেশ কয়েকজন ট্যাক্সি এবং ট্রাকচালককে খুনের অপরাধে তিহার জেলে যাবজ্জীবন সাজা কাটাচ্ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ এবং ডাকাতি সহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০০২ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে বেশ কয়েক জন ট্যাক্সিচালক এবং ট্রাকচালককে খুনের অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। রাস্তায় গাড়ি লুট করতেন, তার পর চালকদের খুন করে সেই গাড়ি নিয়ে চম্পট দিতেন। গাড়িগুলি চোরাবাজারে বিক্রি করে দিতেন। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িচালকদের খুন করে দেহগুলি হাজরা খালে ফেলে দিতেন। ঘটনাচক্রে, এই হাজরা খালে প্রচুর কুমির রয়েছে। ফলে দেহগুলির আর কোনও চিহ্ন পাওয়া যেত না।
এছাড়াও ১৯৯৫ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে অবৈধ কিডনি প্রতিস্থাপন চক্র পরিচালনার জন্য তিনি প্রথম কুখ্যাতি অর্জন করেন। বিএএমএস (ব্যাচেলর অফ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) ডিগ্রিধারী দেবেন্দ্র ১৯৮৪ সালে রাজস্থানে একটি ক্লিনিক খুলেছিলেন। তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে তিনি বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত ডাক্তার এবং দালালদের সহায়তায় ১২৫টিরও বেশি অবৈধ কিডনি প্রতিস্থাপনে সহায়তা করেছিলেন।
১৯৯৫ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে একটি দল চালাতে শুরু করেন দেবেন্দ্র। যারা এলপিজি সিলিন্ডার বহনকারী ট্রাকগুলিকে আটক করে, চালকদের হত্যা করে সিলিন্ডারগুলি চুরি করে নিত বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি ট্যাক্সি চালকদের লক্ষ্য করে হত্যাও করতেন তিনি। ট্যাক্সি ভাড়া করা, চালকদের হত্যা করা এবং তাঁদের গাড়ি চোরাবাজারে বিক্রি করা সবই করতেন দেবেন্দ্র। এমনকি মৃতদেহগুলি কুমিরকে খাওয়ানোও হত।






















