India - Pakistan : আবার বড় নাশকতার ছক পাক-জঙ্গিদের? শনিবারও ভারতে ঢুকে পড়ল 'পাক'-ড্রোন
শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরের দুটি স্থানে সম্ভবত পাকিস্তান থেকে আসা একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা গেল। এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থবার !

নয়াদিল্লি: এই নিয়ে চারবার। ভারত সতর্ক করার পরও ভারতের আকাশে ঢুকল পাক - ড্রোন। শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরের দুটি স্থানে সম্ভবত পাকিস্তান থেকে আসা একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা গেল। এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থবার !
সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিট তখন। একটি ড্রোন দুই মিনিটের জন্য একটি সেনা ক্যাম্পের কাছে ঘোরাফেরাও করে। তারপর পাকিস্তানি ভূখণ্ডে ফিরে যায়। আধ ঘন্টা পরে, আবারও আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে আরওএকটি ড্রোন দেখা যায়। আবতাল এলাকায় ড্রোনটির গতিবিধি লক্ষ করে প্রতিরক্ষাবাহিনী।
এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটায়, বাড়তি সতর্ক ভারতীয় সেনা। সন্দেহ গাঢ় হচ্ছে, আবার কি পাকিস্তান নতুন কোনও ছক কষছে ? ড্রোনের আনাগোনার প্রতি কড়া নজর রাখছে নিরাপত্তা বাহিনী । অনুপ্রবেশ আটকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে সেনা। নাশকতা আটকাতে স্পর্শকাতর জায়গাগুলিতে চলছে লাগাতার তল্লাশি অভিযান । সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ পর্যবেক্ষণের জন্য সীমান্ত-সংলগ্ন রাস্তাগুলিতে চেকপয়েন্ট বসানো হয়েছে।
সাম্বার পালুরায় সম্প্রতি বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। গোয়েন্দাদের স্পষ্ট ধারণা এই সব অস্ত্রই পাকিস্তান থেকে আনা। এই অস্ত্র ভাণ্ডারের মধ্যে ছিল পিস্তল, গ্রেনেড এবং গোলাবারুদ। সবকিছুই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, ড্রোনগুলি থেকেই কি অস্ত্র ফেলা হয়েছিল ?
২২ এপ্রিল, ২০২৫। কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে, ২৫ জন নিরীহ হিন্দু পর্যটকদের খুন করে, তাঁদের স্ত্রীদের সিঁথির সিঁদুর মুছে দিয়েছিল জঙ্গিরা! তার প্রত্যুত্তরে ৬ মে মাঝরাতে ভারতীয় সেনার বদলা নেয় 'অপারেশন সিঁদুর' -এ। পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের ভিতরে থাকা লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের সদর দফতর, জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, লঞ্চ প্য়াড ধ্বংস করে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। মিডনাইট স্ট্রাইকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে-তে লস্কর-ই-তৈবার সদর দফতর। বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের হেড কোয়ার্টার এবং হিজবুল মুজাহিদিনের হেড কোয়ার্টার-সহ ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। তারপর থেকেই তক্কে তক্কে আছে জঙ্গি-গোষ্ঠীগুলো। সম্প্রতি অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি করেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারিদারি। সেদেশের একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'অপারেশন সিঁদুর' চলাকালীন একসময় বাঙ্কারে আত্মগোপন করতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। এমনকী সেইসময় তাঁকেও বাঙ্কারে লুকিয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি। এই আবহেই এলওসি-তে শুরু হয়েছে ড্রোন আনাগোনা।
Before You Go
West Bengal Budget News | সরকার গঠনের পর প্রথম বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রে জোরালো নজর দিল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার






















