E20 Petrol: ইথানল পেট্রোল ব্য়বহারে ক্ষতি হচ্ছে ইঞ্জিনের? কমে যাচ্ছে মাইলেজ? ‘বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ নেই’, লোকসভায় বললেন নিতিন গডকড়ী
Nitin Gadkari: ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে ভূরি ভূরি অভিযোগ সামনে আসছে। সরকারি নীতির বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

নয়াদিল্লি: পেট্রোলে ইথানল মেশানোর বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলনের সম্ভাবনা মাথাচাড়া দিয়েছে। সেই আবহেই সংসদে E20 জ্বালানি নিয়ে বড় দাবি করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের দাবি, E20 ঢালার ফলে ইঞ্জিনের ক্ষতি হয়েছে বলে কোনও বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ মেলেনি। মাইলেজ কমে যাওয়ারও ইঙ্গিতও মেলেনি এখনও পর্যন্ত। (Nitin Gadkari)
ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে ভূরি ভূরি অভিযোগ সামনে আসছে। সরকারি নীতির বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। সেই আবহেই বুধবার লোকসভায় লিখিত ভাবে E20 জ্বালানি নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। তাঁর দাবি, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা জ্বালানির কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়ার যে দাবি উঠছে, তার সপক্ষে কোনও বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ মেলেনি। (E20 Petrol)
আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে সরকার আয়োজিত গণবিবাহ অনুষ্ঠানে TMC লেখা, ঘাসফুল আঁকা ম্যাট্রেস বিতরণ, জানাজানি হতেই…
গডকড়ী এদিন জানান, বিজ্ঞানসম্মত গবেষণার পর ফিল্ড ট্রায়াল হয়। গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা হয় E20 জ্বালানি। বিশেষজ্ঞ সংস্থার ছাড়পত্র নিয়ে, সকলের সঙ্গে শলা-পরামর্শ করেই ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি প্রকল্পের সূচনা হয়। বাজারে আনা হয় E20 পেট্রোল।
কেন্দ্র জানিয়েছে, দু’চাকার মোটর সাইকেল এবং চারচাকার গাড়ি, দু’ক্ষেত্রেই E20 পেট্রোল ব্যবহারে কী প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে গবেষণা চলে। যৌথ ভাবে গবেষণা চালায় Indian Oil Corporation Limited, Indian Institute of Petroleum, Society of Indian Automobile Manufacturers এবং Automotive Research Association of India. এর আগে একাধিক সাক্ষাৎকারেও একই দাবি করেন গডকড়ী। তবে অভিযোগ থামছে না।
ঘটনাচক্রে লোকসভায় যখন E20 নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন গড়কড়ী, সেই সময় রাজধানীর বুকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দিল্লি ট্যাক্সি অ্যান্ড ট্যুরিস্ট ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন। E20 পেট্রোলের বিরুদ্ধে আগামী ৪ অগাস্ট সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা।
তবে এখনও পর্যন্ত নিজের অবস্থানে অনড় কেন্দ্র। তাদের দাবি, ২০১৩-’১৪ সালের মধ্যে পেট্রোলে ১.৪৩ শতাংশ ইথানল মেশানোর পরিকল্পনা গৃহীত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে করা হয় ২০ শতাংশ। বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই ওই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল ঢালার পর মাইলেজ কমে যাওয়ার অভিযোগ তুলছেন অনেকেই। সেই নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তি, মাইলেজ বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যেমন-গাড়ি চালানোর অভ্যাস কেমন, ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণ, নির্দিষ্ট সময় অন্তর জ্বালানি ভরা, পরিচ্ছন্নতা, টায়ারের প্রেসার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার। শুধুমাত্র ইথানল মিশ্রিত পেট্রোলকে মাইলেজ কমে যাওয়ার জন্য দায়ী করা ঠিক নয়।























