Gargo Chatterjee: জামিনের আবেদন করেছিলেন বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায়, আজ কী জানাল আদালত?
Bangla Pokhho: গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ দায়েরের পরেই সক্রিয় হয়েছিল কলকাতা পুলিশ। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

কলকাতা: ভোটপর্ব মিটতেই শোরগোল পড়েছিল একটি ঘটনা নিয়ে। EVM নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় (Gargo Chatterjee)।
বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের ১৬ মে পর্যন্ত পুলিশ হেফাজত দেওয়া হল। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ দায়েরের পরেই সক্রিয় হয়েছিল কলকাতা পুলিশ। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। 'আদালত গ্রাহ্য অপরাধ হলেই FIR করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে, তদন্তে সহযোগিতাও করেননি উনি,' গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন সরকারি আইনজীবী। তারপরই তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়। ১৬ মে পর্যন্ত পুলিশ হেফাজত দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার
গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের সাইবার সেল। নির্বাচনের আগে তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক মন্তব্যের অভিযোগ রয়েছে। ইভিএম নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন গর্গ চট্টোপাধ্যায়। আজ আদালতে পেশ করা হয়েছিল গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে। (Garga Chatterjee Arrested)
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। গর্গর গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "ডিও নর্থ অভিযোগ করেছিলেন যে, নির্বাচনের সময় EVM বিকৃতি নিয়ে পোস্ট করেছিলেন। EVM বিকৃতি হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন। ওঁর পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল, বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানান আন্দোলন করতে। সেই নিয়ে চারিদিকে গুজব ছড়িয়েছিল। এর বিরুদ্ধে ডিও মামলা করেছিলেন। সেই মতো মামলা হয়েছিল। নোটিস দিয়ে দু'বার ডাকা হয়েছিল তাঁকে। দু'বারই আসেননি। তারপরই গ্রেফতার করা হয়।" (Bangla Pokkho)
আরও পড়ুন: এই মাস থেকে রেশনে আটা বিলি বন্ধ! বড় ঘোষণা নতুন খাদ্যমন্ত্রীর, দুর্নীতি রুখতে কড়া পদক্ষেপ
গর্গর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা ছিল। সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। তিনি বলেছিলেন, "পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা ছিল। বারবার ওঁর তরফে পোস্ট আসছিল, যেখানে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নানা কথা বলছিলেন। এতে ভেদাভেদ তৈরি হচ্ছিল। ওই মামলাতেও ওঁকে অ্যাটাচ করা হবে।" মামলা হয়েছিল ময়দান থানায়। এর পর সাইবার শাখা থেকে নোটিস পাঠানো হয়।





















