Goa Nightclub Fire :গোয়ার নাইট ক্লাবে বহু মৃত্যু, এবার সেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুরুতর প্রশাসনিক গাফিলতির ছবি প্রকাশ্যে !
Goa Nightclub Fire Update: গোয়ার নাইট ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুরুতর প্রশাসনিক গাফিলতির ছবি প্রকাশ্যে !

নয়াদিল্লি: গোয়ার নাইট ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুরুতর প্রশাসনিক গাফিলতির ছবি প্রকাশ্যে ! সল্টপ্যানের জন্য নির্ধারিত জমিতে বেআইনিভাবে চলছিল নাইট ক্লাব। গত মাসে গোয়ার নাইট ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে পর্যটক-সহ অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল গোয়ার সরকার।
আরও পড়ুন, প্রয়োজনে শুনানির দিন কি পাল্টানো যাবে? হিয়ারিং-এ ডাক পাননি তালিকায় নাম না ওঠা সত্ত্বেও ? কী করবেন
গোয়ার নাইট ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে এবার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য !
গতবছরের ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল, গোয়ার উত্তর জেলার আরপোরা এলাকায় জনপ্রিয় নাইট ক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। জানা যায়, প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছিলেন ।তাঁদের চিকিৎসার জন্য গোয়া মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে একাধিক জন পর্যটক এবং বাকিরা নাইটক্লাবের কর্মী রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে এই আগুন বলে মনে করা হয়েছিল।যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ছিল, যে তাঁরা কোনও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাননি। তদন্তকারী সংস্থাগুলি এখন অন্যান্য সম্ভাব্য কারণগুলিও তদন্ত করছে, যার মধ্যে উদযাপনের জন্য রাখা আতশবাজি বা রাসায়নিকের কারণে আগুন লাগার সম্ভাবনাও রয়েছে। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় উচ্চস্তরের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত রিপোর্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই ঘটনায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুরুতর প্রশাসনিক গাফিলতির ছবিই বাইরে বেরিয়ে এসেছে।
গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল এক বঙ্গসন্তানেরও
গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দারও । গোয়ার ওই অগ্নিকাণ্ডে যে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন দার্জিলিঙের বাসিন্দা সুভাষ ছেত্রীও। আগুনে ঝলসে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। গোয়ার নাইট ক্লাবের কর্মী ছিলেন সুভাষ ছেত্রী। গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল ২৫ জনের। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ক্লাবের ম্যানেজার সমেত ৪-জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের আগে ক্লাবে আতসবাজি পোড়ানো হচ্ছিল। আতসবাজি থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে বসে আশঙ্কা। ক্লাবের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঘিরে প্রশ্ন, দমকলের NOC ছিল না বলে অভিযোগ। নাইটক্লাবের ২ মালিকের বিরুদ্ধে FIR করা হয়েছিল। দমকল সূত্রে দাবি, ঘটনায় বেশিরভাগেরই মৃত্য়ু হয়েছে দমবন্ধ হয়ে।






















