Gujarat High Court: টয়লেটে বসে কোর্টের শুনানিতে! 'শিক্ষা দিতে' ১ লক্ষ টাকা জরিমানা হাই কোর্টের
সোমবার, বিচারপতি এএস সুপেহিয়া এবং বিচারপতি আরটি বচ্চনির ডিভিশন বেঞ্চ ওই ব্যক্তিকে শুনানির পরবর্তী তারিখ ২২ জুলাইয়ের মধ্যে আদালতের রেজিস্ট্রিতে ১ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আমদাবাদ: ভার্চুয়াল শুনানি চলাকালীন শৌচালয়ে বসে সেখানে থেকে যোগ দেওয়ায় আদালত অবমাননার দায়ে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা হল এক যুবকের। ওই যুবকের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করেছিল আদালত। আদালতের রেজিস্ট্রিতে ১ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২০ জুন। বিচারপতি নির্ঝর এস দেসাইয়ের বেঞ্চে মামলার শুনানি চলছিল। সেই সময়েই শৌচালয়ে বসে আদালতের ভার্চুয়াল শুনানিতে যোগ দেন ওই যুবক। পরে জানা যায়, ওই যুবকের নাম আব্দুল সামাদ। আদালতের শুনানি সরাসরি সম্প্রচারের সময় দেখা যাওয়া ওই অংশটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
সোমবার, বিচারপতি এএস সুপেহিয়া এবং বিচারপতি আরটি বচ্চনির ডিভিশন বেঞ্চ ওই ব্যক্তিকে শুনানির পরবর্তী তারিখ ২২ জুলাইয়ের মধ্যে আদালতের রেজিস্ট্রিতে ১ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। গুজরাত হাই কোর্টের এক মামলার ভার্চুয়াল শুনানির সময় ওই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নজরে আসতেই ওই যুবকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা রুজুর নির্দেশ দিয়েছে আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছিল, ‘‘এই ঘটনা একেবারেই মানা যায় না। এটা লজ্জাজনক এবং নিন্দনীয় ঘটনা। এই ধরনের ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত কড়া পদক্ষেপ না করলে সাধারণ মানুষের চোখে এই প্রতিষ্ঠানের সম্মান কমে যাবে।’’
১৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাত হাই কোর্টে একটি শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিয়েছিলেন । সেই শুনানির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তার পরেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট। সোলা থানার থেকে এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছিল উচ্চ আদালত। পুলিশ রিপোর্ট দিয়ে জানিয়েছিল, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টের শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘কানুভাই’ নামে যোগ দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। তিনি ‘অভব্য’ আচরণ করার কারণে ওই শুনানি থেকে তাঁর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ওই ব্যক্তি আবার শুনানি যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তার পরেও হাই কোর্টের তরফে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
করোনার সময় থেকে গুজরাত হাই কোর্ট আইনজীবী এবং মামলাকারীদের ভার্চুয়াল মাধ্যমে আদালতে হাজিরার অনুমতি দেয়। এজলাসের শুনানি প্রক্রিয়াও হাই কোর্টের ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। ওই ঘটনার অংশটিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। সংবাদমাধ্যম ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুসারে, একটি এফআইআর বাতিলের মামলায় বিবাদী পক্ষ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাদ। তিনিই ছিলেন মামলার মূল অভিযোগকারী।






















