LPG cylinders : টানা বৃষ্টি ! বন্যার জলে ভেসে গেল প্রায় ৩ হাজার রান্নার গ্যাস, দেখুন সেই ভিডিও
Heavy Rain in Maharashtra: পানভেলের পাতালগঙ্গা এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে জল ঢুকে প্রায় ৩,০০০ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে। মাথায় হাত সংস্থার।

মহারাষ্ট্র : মহারাষ্ট্রে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে বর্ষা। টানা কয়েক দিনের রেকর্ড বৃষ্টির জেরে মহারাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত। রায়গড় জেলায় বন্যা পরিস্থিতি। বৃষ্টির জেরে পুণের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে একটি বহুতল। এর মাঝে একটি ভয়ঙ্কর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, কয়েক হাজার গ্যাস সিলিন্ডার নদীর স্রোতের জলে ভেসে আসছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, টানা ভারী বৃষ্টির ফলে রায়গড় জেলার নদীগুলোতে জলস্তর বেড়ে গেছে এবং এর জেরে বিভিন্ন এলাকা জলের তলায়, জলমগ্ন পরিস্থিতিও বহু জায়গায়। এরই মধ্যে পেন ও খালাপুর অঞ্চল থেকে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে; পাতালগঙ্গা নদীর তীব্র স্রোতে এলপিজি সিলিন্ডার ভেসে যাচ্ছে ধর্মতর খাঁড়ির দিকে।
🚨 Maharashtra Floods
— contentkikamii (@contentkikamii) July 8, 2026
According to local reports nearly 3,000 HPCL LPG cylinders were swept into the Patalganga River after floodwaters damaged the boundary wall of the bottling plant in Panvel, Raigad.
Villagers were seen collecting cylinders near Kharpada Bridge. Authorities… pic.twitter.com/EvvK3vybVi
বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, খলাপুরে অবস্থিত এইচপিসিএল (HPCL)-এর এলপিজি প্ল্যান্ট থেকে প্রায় ৩,০০০ গ্যাস সিলিন্ডার বন্যার জলেভেসে গেছে। প্রাথমিক তথ্যানুসারে, ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে চাভনে অতিরিক্ত এমআইডিসি (MIDC) এলাকার প্লট নং ই-১/৭-এ অবস্থিত একটি গুদাম থেকে সিলিন্ডারগুলো ভেসে নদীতে চলে যায়। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দড়ি ও হুক ব্যবহার করে নদীতে ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলো উদ্ধার করছেন।
রায়গড়ের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এলাকাবাসীদের কাছে আবেদন করেছেন যে, যদি কেউ এই গ্যাস সিলিন্ডারগুলি খুঁজে পান, তবে সেগুলি নিজের কাছে না রেখে সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশন বা প্রশাসনিক কার্যালয়ে বা কোনো অনুমোদিত এইচপিসিএল ডিলারের কাছে জমা দিতে। যাতে সেগুলি নিরাপদে থাকে। কারণ, ভেসে আসা সিলিন্ডারগুলির মধ্যে কোনগুলি গ্যাসভর্তি এবং কোনগুলি খালি তা এখনও জানা যায়নি। একই সঙ্গে সেগুলির নিরাপত্তাজনিত অবস্থাও পরীক্ষা করা যায়নি। ফলে কোনও ব্যক্তি যদি সিলিন্ডার খোলার চেষ্টা করেন, তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং সিলিন্ডারগুলো উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যাই এই ঘটনার মূল কারণ।























