India-Pakistan Row : সংঘর্ষবিরতির কোনও 'Expiry Date' নেই, ভারত-পাকিস্তান DGMO-পর্যায়ে কোনও বৈঠক হয়নি আজ
India-Pakistan News: ১২ মে, ভারত ও পাকিস্তানের DGMO-রা উভয়পক্ষের তরফে গুলিবর্ষণ বা কোনও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।

নয়াদিল্লি : সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আজ আর DGMO পর্যায়ে কোনও আলোচনা হয়নি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে। এদিন আগেই একথা নিশ্চিত করে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। ১২ মে ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস স্তরে এনিয়ে যা আলোচনা হয়েছে সেটাই কার্যকর রয়েছে। সংবাদ সংস্থা ANI ভারতের এক সেনা আধিকারকের বক্তব্য তুলে ধরেছে। তিনি বলেছেন, "আজ DGMO-র সঙ্গে আলোচনার কোনও সময়সূচি নেই। ১২ মে ডিজিএমও-র সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার বিষয়ে বলতে হলে, এর কোনও এক্সপায়ারি ডেট নেই।"
১২ মে, ভারত ও পাকিস্তানের DGMO-রা উভয়পক্ষের তরফে গুলিবর্ষণ বা কোনও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। উভয়পক্ষ সীমান্ত এবং সামনের এলাকা থেকে সেনা কমানোর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতেও সম্মত হয়েছিল। DGMO পর্যায়ের এই মিটিং প্রথমে ১২ মে দুপুরে হওয়ার কথা ছিল। যদিও পরে তা পেরিয়ে সন্ধেয় হয়। ১০ মে পাকিস্তানের ডিজিএমও ভারতের ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাইকে ফোন করার পর গুলিবর্ষণ ও সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের চুক্তি হয়।
ভারতের সামরিক প্রত্যাঘাতে এমনিতেই আতঙ্কিত পাকিস্তান। এবার প্রস্তুত হচ্ছে কূটনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবেন ভারতীয় সাংসদরা। বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরা হবে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের জিরো টলারেন্সের কথা। শুধু তা-ই নয়, পাকিস্তান কীভাবে বরাবর ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের মদত দিয়ে আসছে, সেই কথাও জানানো হবে রাষ্ট্রগুলিকে। 'অপারেশন সিঁদুরের' (Operation Sindoor) মাধ্যমে কীভাবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেই তথ্যও তুলে ধরবেন সাংসদরা। ভারতের এই বক্তব্য তুলে ধরার জন্য শনিবার ৫৯ জন সাংসদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। সাতটি প্রতিনিধিদলে থাকবেন সাংসদরা। এরমধ্যে এ রাজ্যের তিন সাংসদেরও নাম রয়েছে। তাঁরা হলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইউসুফ পাঠান। যদিও শারীরিক অসুস্থতার কারণে যেতে পারছেন না তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা। এছাড়া দলে থাকছেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।
পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাত হিসাবে 'অপারেশন সিঁদুর' চালায় ভারত। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতের সশস্ত্র বাহিনী। এরপর পাল্টা জঙ্গি-মদতদাতা পাকিস্তান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো শুরু করে। যদিও ভারত তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। পাল্টা পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাত করে ভারতের বাহিনী। যাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পাকিস্তান।























