Operation Sindoor: একবার নয়, সংঘর্ষবিরতি চেয়ে দু'বার ভারতে যোগাযোগ করেছিল আতঙ্কিত পাকিস্তান, 'অপারেশন সিঁদুরে' নিহত বেড়ে ১৬০
India-Pakistan Conflict: ভারত ও পাকিস্তান, উভয় পক্ষের আরও তিন দিন ধরে সীমান্তে তীব্র সংঘাতের পর, ১০ মে বিকাল ৩:৩৫ মিনিটে ডিজিএমও-স্তরের একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

নয়াদিল্লি : ভারতের সশস্ত্র বাহিনী 'অপারেশন সিঁদুর' চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর পাকিস্তান এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল যে তারা দু-দু'বার ভারতে যোগাযোগ করেছিল। যুদ্ধবিরতি চেয়ে নয়াদিল্লিতে দু'বার ফোন আসে ইসলামাবাদ থেকে। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে সূত্রের এমনই খবর। এর মধ্যে একবার যোগাযোগ করা হয়েছিল ৭ মে সন্ধেয় ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস পর্যায়ে। সেই ফর্ম্যাল মেসেজ ছাড়াও যোগাযোগ করেছিল পাকিস্তান। যদিও ইসলামাবাদের উপর এনিয়ে সন্দেহ ছিলই, কারণ শান্তির আহ্বানের সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিগুলিতে নতুন করে আক্রমণের চেষ্টা করে তারা।
ভারত ও পাকিস্তান, উভয় পক্ষের আরও তিন দিন ধরে সীমান্তে তীব্র সংঘাতের পর, ১০ মে বিকাল ৩:৩৫ মিনিটে ডিজিএমও-স্তরের একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সময় সময় ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করে। উভয়পক্ষের সামরিক পর্যায়ে এনিয়ে আলোচনার পর উভয়পক্ষ সহমত পোষণ করে। এখানে আমেরিকার কোনো মধ্যস্থতা ছিল না। এরপরই দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার প্রশমন হয়। এর আগে একই সুরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জওসওয়ালও বলেছিলেন, "পাকিস্তানি ঘাঁটিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর কার্যকর আক্রমণের" কারণে পাকিস্তানের ডিজিএমও ভারতীয় DGMO পর্যায়ে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন।
এদিকে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতের চালানো অপারেশন সিঁদুরে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ল। ওই সূত্রের খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬০-এর বেশি। এর মধ্যে জঙ্গি, তাদের সঙ্গীরা এবং সীমান্তে সংঘর্ষে থাকা পাকিস্তানের সামরিককর্মীরা রয়েছে।
দিনকয়েক আগে গুজরাতের ভুজেও একটি সমাবেশ থেকে 'অপারেশন সিঁদুরের' সাফল্যের কথা তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের প্রত্যাঘাত এত জোরালো ছিল যে ওদের বায়ুসেনা ঘাঁটি এখনও ICU-তে আছে। আমাদের বাহিনীর বীরত্ব ও সাহসিকতার কারণেই পাকিস্তান সাদা পতাকা উড়িয়েছিল। আমরা ওদের ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছি, আমাদের টার্গেট ছিল আপনাদের জঙ্গি পরিকাঠামো। আপনাদের শুধু শান্ত হয়ে থাকতে হবে। আপনারা ভুল করেছেন, তাই তার ফলও আপনাদেরই ভুগতে হবে। ভারতের প্রত্যাঘাতে পাকিস্তান ভ্যাবাচাকা খেয়ে গিয়েছিল। ওরা সীমান্তের কাছে ড্রোন পাঠাতে শুরু করে। এমনকী কছেও।"
এরপরই পাকিস্তানকে ফের জোরালো বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। "সুখ-শান্তিতে জীবন কাটান, রুটি খান, নাহলে আমার গুলি তো আছেই", বলে হুঙ্কার ছাড়েন তিনি।






















