Earthquake : তীব্র ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, ভয়ানক ধাক্কা ! আতঙ্কে ঘর ছাড়ল মানুষ
Indonesia Earthquake : ইন্দোনেশিয়ায় সকাল ১০টা ২৬ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.২। কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ।

ফের একবার কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ায় । মঙ্গলবার সকাল সকাল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বিরাট এলাকা। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ৬.২। এই মাত্রার ভূমিকম্প নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে সম্পত্তি ক্ষয় হয়ে থআকতে পারে। প্রশাসন ভূমিকম্পে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করছে।
জাতীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের খবর অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ায় সকাল ১০টা ২৬ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.২। কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
২০১৬-র ভয়াবহ ভূমিকম্প
২০২৩ সালেও একটি বড় ভূমিকম্প ঘটে ইন্দোনেশিয়ায় । তবে তাতেও বড় কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে ঠিক ১০ বছর আগে ২০১৬ সালে ভয়ানক এক ভূমিকম্পে বহু প্রাণহানি ঘটেছিল এই দেশে। ঘুমের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় শতাধিক জীবন! ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই সব কিছু তছনছ হয়ে যায়। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল ধ্বংসের চিহ্ন। বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কবলে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা। তার আগে ২০০৪ সালেও ভয়াবহ ভূমিকম্প ঘটে ইন্দোনেশিয়ায়। সেবার রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৫। কম্পনের উত্সস্থল সিগলি থেকে ১৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের ১৭ কিলোমিটার গভীরে। ভোর ৫টায় হঠাত্ই কেঁপে ওঠে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রার পিদি জায়া। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে একের পর এক বাড়ি। চোখ খোলার সময়টকুও পাননি অনেকে। যাঁদের ঘুম ভাঙে, তাঁরা কোনও মতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে রক্ষা পান। আর যাঁরা পারেননি.....ঘুমের মধ্যেই ডুবে যান চিরঘুমে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে যখন উদ্ধার কাজ শুরু করে প্রশাসন, তখন সব শেষ। ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে উদ্ধার হয় একের পর এক দেহ।
২০০৪ এর ভয়াবহ কম্পন
২০০৪ সালে ভূমিকম্প ও সুনামির জেরে কার্যত মৃত্যুপুরীর চেহারা নিয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা। তারপর একাধিকবার কেঁপে উঠেছে এই দ্বীপ রাষ্ট্র। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এদিনের ভোরের কম্পন উস্কে দেয় সেই ২০০৪-র সেই ভয়াবহ স্মৃতি।























