Iran Unrest : টানা নাগরিক প্রতিবাদে উত্তাল ইরান, নিহতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ! প্রথমবার স্বীকার কর্তৃপক্ষের
Iran Situations: সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানের আধিকারিক জানান, প্রতিবাদী ও নিরাপত্তাকর্মী উভয় পক্ষের মৃত্যুর পিছনেই রয়েছে জঙ্গিরা।

গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইরান। অশান্তির আগুনে জ্বলছে বিভিন্ন শহর। নাগরিক প্রতিবাদ লেগেই রয়েছে। একের পর এক হিংসার ঘটনায় প্রাণহানিও হচ্ছে। সংখ্যাটা কত তা এবার জানা গেল। ইতিমধ্যেই প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন ইরানে চলতে থাকা প্রতিবাদে। এরমধ্যে রয়েছেন নিরাপত্তাকর্মীরাও। মঙ্গলবার এমনই জানালেন ইরানের এক আধিকারিক। গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে চলতে থাকা অস্থিরতার জেরে এত সংখ্যক প্রাণহানির কথা কার্যত এই প্রথম স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ। সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানের আধিকারিক জানান, প্রতিবাদী ও নিরাপত্তাকর্মী উভয় পক্ষের মৃত্যুর পিছনেই রয়েছে জঙ্গিরা।
গত তিন সপ্তাহব্যাপী অশান্তি ইরানের ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগ উঠছে। হাসপাতালে লাশের স্তূপ জমছে বলেও সামনে আসছে দাবি। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুসারে, গ্রেফতার করা হয়েছে ২৬০০ মানুষকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ। টেলিফোন সংযোগ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন। এমতাবস্থায় নির্বাসন থেকে বিক্ষোভকারীদের বার্তা দিয়েছেন, যুবরাজ রেজা পহলভিও, যিনি ইরানের শেষ শাহ মহম্মদ রেজা পহলভির জ্যেষ্ঠপুত্র। তিনি জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করতে প্রস্তুত। আমেরিকা থেকেই নিজেকে ইরানের আসল নেতা বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। গত বছর ইরান এবং ইজ়রায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীনও দেশবাসীকে পাশে পেতে আর্জি জানান তিনি।
এই পরিস্থিতিতে আগের দিনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেছিলেন, আলোচনার জন্য এগিয়ে এসেছে ইরান। এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিকদের তরফে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ইরান কি তাঁর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চাইছে ? উত্তরে ট্রাম্প বলেন, "ওরা চাইছে। (রবিবার) ওরা আলোচনার জন্য ফোন করেছিল। ওরা ফোন করেছিল। ইরানের নেতারা কল করেছিলেন। ওঁরা আলোচনা করতে চান। আমার মনে হয়, ওরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মার খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। ইরান আলোচনা করতে চায়।"
এদিকে দেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার জন্য এর আগে সরাসরি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে দায়ী করেছিল ইরান। শুধু তাই নয়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তার পাল্টা জবাবও দিয়েছে ইরান। প্রয়োজনে আমেরিকাকে আঘাত করতে পিছপা হবে না বলে জানিয়েছিল তারা। Iran Unrest Situation Continues






















