Kargil War Family : এবার কার্গিল যোদ্ধার পরিবারকেই বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থার অভিযোগ, ভারতের নাগরিকত্বের প্রমাণ দাবি !
Kargil War Family Harassed in Pune : এবার কার্গিল যোদ্ধার পরিবারকেই বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থার অভিযোগ ! পুণেতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসারের বাড়িতে 'চড়াও' হল কারা ?

নয়াদিল্লি : এবার কার্গিল যোদ্ধার পরিবারকেই বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থার অভিযোগ। পুণেতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসারের বাড়িতে চড়াও হওয়ার অভিযোগ। কার্গিল যোদ্ধার পরিবারকে বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থার অভিযোগ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

কার্গিল যোদ্ধার পরিবারের অভিযোগ, 'শনিবার রাতে প্রাক্তন সেনা অফিসারের বাড়িতে চড়াও হয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরা। জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে দিতে বাড়িতে চড়াও হয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরা। কার্গিল যোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের কাছে ভারতের নাগরিকত্বের প্রমাণ দাবি করেছে। কার্গিল যোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশি বলে দাবি করেছে, বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ২ জন নিজেকে পুলিশ কর্মী বলে দাবি করেছেন। যদিও পুণের পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, 'ঘটনায় পুলিশের কোনও যোগ নেই। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হয়েছে।'
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশি সন্দেহে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ১০ জন বাসিন্দাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠল বিজেপি শাসিত গুজরাতের সুরাত পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও, রাজ্য পুলিশের হেল্ললাইন নম্বরে ফোন করে সঙ্গে সঙ্গে মিলেছে সমাধান। অন্যদিকে, ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে রাস্তায় নামে সিটু, পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক ইউনিয়ন সহ একাধিক বামপন্থী সংগঠন।
পিংলার বাসিন্দা অরূপ জানা বলেন, রাত্রিবেলা ২ টোর সময় ঘর থেকে ৩-৪ জন পুলিশ এসে আমাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। প্রচুর মারধর করেছে। দোষ বলতে শুধু বাংলায় কথা বলা অভিযোগ, শুধুমাত্র সেই কারণেই গভীর রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গেছিল পুলিশ। আটকে রেখে চলেছে অত্যাচার। এবার, পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ১০ জন বাসিন্দাদের আটকে রাখার অভিযোগ উঠল বিজেপি শাসিত গুজরাতের সুরাত পুলিশের বিরুদ্ধে। ও, পরিযায়ী শ্রমিকদের দাবি, রাজ্য পুলিশের হেল্ললাইন নম্বরে ফোন করার পর সুরাহা হয় তাঁদের। নবান্নের ফোন যেতেই ছাড়া হয় তাদের।
পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবারের দাবি,গুজরাতের সুরাতে, কারখানার কাজে গিয়েছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ১৮ থেকে ২০ জন বাসিন্দা।অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে, বাংলাদেশি সন্দেহে, তাদের মধ্যে ১০ জনকে তুলে নিয়ে যায় সুরাত পুলিশ। পরিযায়ী শ্রমিকের আত্মীয় জয়দেব মাজি বলেন, বলেছে..পশ্চিম বাংলার লোক এসেছো, বাংলায় কথা বলছো। তোমরা এখানে বিদেশি লোক এসেছো, বাংলাদেশ থেকে এসেছো, এই বলে নাকি আটকে দিয়েছে।






















