Kolkata News: পুরুষ বন্ধুকে ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে আত্মঘাতী অধ্যাপিকা, বাঁশদ্রোণীর বাড়ি থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ
Bansdroni Teacher's Death: পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত্যুর আগে এক বন্ধুকে ভিডিও রেকর্ডিং পাঠান ওই অধ্যাপিকা।

কলকাতা: বাঁশদ্রোণীতে কলেজ শিক্ষিকার রহস্যমৃত্যু। ভাড়া বাড়ির ঘর থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ। ওই শিক্ষিকা একটি বেসরকারি কলেজে অধ্যাপনা করতেন বলে খবর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত্যুর আগে এক পুরুষ বন্ধুকে ভিডিও রেকর্ড করে পাঠান ওই অধ্যাপিকা। আত্মহত্যার কথা জানিয়েই ভিডিও পাঠান তিনি। কী কারণে এমন পদক্ষেপ করলেন ওই অধ্যাপিকা, এখনও পর্যন্ত তা খোলসা হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। (Kolkata News)
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত্যুর আগে এক বন্ধুকে ভিডিও রেকর্ডিং পাঠান ওই অধ্যাপিকা। ভিডিও বার্তায় ওই তরুণী জানান, তিনি আত্মঘাতী হতে চলেছেন। বেঁচে থাকার আর কোনও কারণ নেই তাঁর জীবনে। মানসিক অবসাদে ভুগছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর জন্য় কেউ দায়ী নন। ওই ভিডিও বার্তা পেয়েই অধ্য়াপিকার বন্ধু ছুটে আসেন বাঁশদ্রোণীর ওই ভাড়া বাড়িতে। কিন্তু তত ক্ষণে সব শেষ। (Bansdroni Teacher's Death)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁশদ্রোণীর ওই ভাড়াবাড়িতে একসঙ্গেই থাকতেন ওই অধ্যাপিকা এবং তাঁর পুরুষ বন্ধু। কোনও কারণে ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না ওই ব্যক্তি। ভিডিও বার্তা পেয়ে ছুটে আসেন তিনি। বাড়ির রান্নাঘরের পাশেই একটি ঘর রয়েছে। সেখানেই ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয় তরুণীর। যে অবস্থায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ায় যায়, সেই অবস্থাতেই বের করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা ওই অধ্যাপিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কী এমন হল যে অধ্যাপিকা এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, কেনই বা পুরুষ বন্ধুকে ওই বার্তা পাঠালেন তিনি, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে ভিডিও বার্তা দেখে প্রাথমিক ভাবে পুলিশের ধারণা, অধ্যাপিকা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। আর্থিক, মানসিক না শারীরিক সমস্যা ছিল, তা বোঝা যাচ্ছে না এখনও পর্যন্ত। ওই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে বেশ কয়েক মাস একসঙ্গে ভাড়া থাকতেন বলে জানা যাচ্ছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, "উনি গলায় দড়িয়ে দিয়েছেন শুনলাম। আমরা আসার আগেই নিয়ে চলে যায়। দু'জনেই একসঙ্গে থাকতেন। উনিই নিয়ে যান। চাকরি করতেন। এসে ঢুকতেন।" অধ্যাপিকার সঙ্গে তাঁর পুরুষ বন্ধু একসঙ্গে থাকতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু ইদানীং কেন একসঙ্গে থাকতেন না, অধ্যাপিকা কোনও সমস্যায় পড়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারেননি কেউ। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।






















