Anti Paper Leak Bill 2026 : ধ্বনি ভোটে পাস অ্যান্টি-পেপার লিক বিল, প্রশ্ন ফাঁসে যুক্তদের কী কী শাস্তি হতে পারে ?
NEET Paper Leak Protest : নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবে সরকার, জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর বুধবার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সংশোধনী বিল পাশ হয়ে গেল লোকসভায়। কী কী শাস্তি হতে পারে।

দিল্লি: NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। 'গুরুতর পাপ', NEET প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে NDA-র সংসদীয় দলের বৈঠকে এমনই মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র আন্দোলনের আবহে গত ২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৬ সালের নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবে সরকার। গঠন করা হবে ‘ফাস্ট-ট্র্যাক অদালত’। কথা মতই কাজ। বুধবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিটও দাখিল করেছে CBI. এবার লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাস হয়ে গেল ‘দ্য পাবলিক একজামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সংশোধনী বিল পাশ হয়ে গেল লোকসভায়। দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে এই বিল আনতে শুরু থেকেই মরিয়া চেষ্টা চালায় মোদি সরকার। অবশেষে বুধবার ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে পাস হয়ে গেল পাবলিক একজামিনেশন সংশোধনী বিল বা অ্যান্টি-পেপার লিক বিল। সোমবার সংসদের নিম্নকক্ষে এই বিলটি পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং। এরপর বুধবার ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায় বিলটি। বৃহস্পতিবার এই বিল পেশ করা হবে রাজ্যসভায়।
প্রশ্ন ফাঁসে যুক্ত ব্যক্তিদের কী শাস্তি হতে পারে ?
পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে এবং যাতে কোনও ভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁস না হয় সেই জন্যই অ্যান্টি-পেপার লিক বিল আনছে কেন্দ্র সরকার। এই বিলের ফলে, পেপার লিক-এর সঙ্গে জড়িত সমস্ত অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে। পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি ৩-৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর থেকে ১০ বছর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জরিমানার পরিমাণ ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। সুতরাং, কোনও ব্যক্তি যদি অভুযুক্ত হন, তবে তাঁর ৫ থেকে ১০ বছর জেল ও সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে। ব্যক্তি ছাড়া কোনও সংস্থা যদি এই কাজের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে, তাকে জরিমানা বাবদ সর্বোচ্চ ১ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ৮ বছরের জন্য ব্যান করা হতে পারে। এই দুটো নিয়মের পাশাপাশি, এই ধরণের মামলাগুলির যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি পায় তার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ও ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের কথাও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।























