Crime News : গুগল সার্চ করে বিষ তৈরি করে স্বামীকে খুন শিক্ষিকার, ৩ ছাত্রের সাহায্যে পুড়িয়েছিলেন দেহও...তারপর যা ঘটল
Maharashtra News : পুরো ঘটনাটির পিছনে ছিল অনেকদিনের চক্রান্ত ও পরিকল্পনা। আর তাতে অভিযুক্তকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছিল তাঁর তিন ছাত্র।

গত ১৫ মে থেকে আলোচনায় ইয়াবতমাল ! মহারাষ্ট্রের চৌসালা জঙ্গলে একটি মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য । অবশেষে সেই মৃতদেহের রহস্য উদঘাটনে সফল হয়েছে ইয়বতমাল পুলিশ। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে যিনি মারা গিয়েছেন তিনি পেশায় শিক্ষক। স্ত্রীও পেশায় শিক্ষক, তিনি একটি বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষও বটে। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে এক হাড়হিম করা খুনের তথ্য । অভিযোগ, ওই ব্যক্তিকে খুন করেছেন তাঁর স্ত্রী-ই। শুধু তাই নয়, মেরে ফেলার পর ওই ব্যক্তির দেহ পুড়িয়ে প্রমাণ নষ্টর চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। আর এই পুরো ঘটনাটির পিছনে ছিল অনেকদিনের চক্রান্ত ও পরিকল্পনা। আর তাতে অভিযুক্তকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছিল তাঁর তিন ছাত্র।
ঘটনাটি ঠিক কী ?
পুলিশ সূত্রের খবর, জবানবন্দিতে সে স্বীকার করে নিয়েছে স্বামীকে বিষ খাওয়ানোর কথা। পুলিশ তদন্তে জানা গিয়েছে, ১৩ মে সন্ধ্যা থেকে ৩২ বছরের স্কুল শিক্ষক শান্তনু অরবিন্দ দেশমুখে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি সানরাইজ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আর তার স্ত্রী নিধি ওই স্কুলেই অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর ১৫ মে সকালে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধ-পোড়া দেহ পাওয়া যায় নিকটবর্তী জঙ্গল থেকে। কয়েকদিনের মধ্যেই, ইয়াবতমাল পুলিশ দেহ যে শান্তনুর তা বুঝে ফেলে, তারপর যাবতীয় তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করে গ্রেফতার করে মৃত শিক্ষকের স্ত্রীকে।
পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ কর জানতে পারে, ১৩ মে সে তার স্বামীকে বিষ প্রয়োগ করে। মৃতদেহ ফেলে দেওয়ার জন্য, সে তার তিন নাবালক ছাত্রকে রাজি করায়। সেই রাতেই তারা চৌসালা জঙ্গলে দেহ ফেলে দেয়। মৃতদেহ শনাক্ত যাতে না করা যায়, তার জন্য দেহে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তদন্ত চলাকালীন, পুলিশ অভিযুক্ত এবং ছাত্রদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মোবাইল চ্যাট হাতে পেয়েছে। তাতেই পুরো বিষয়টা আরও স্পষ্ট হয়ে যায়।
কেন এমন ঘটালেন স্ত্রী ?
এবিপি নিউজ, মারাঠি সূত্রে প্রাপ্ত খবর, দম্পতির মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত। মনে করা হচ্ছে সম্পর্কে তিতিবিরক্ত হয়েই নিধি তার স্বামী শান্তনুকে হত্যা করে। কারও কারও মতে, শান্তনু ইদানিং অ্যালকোহলে ডুবে থাকতেন। এই নিয়েই চলত অশান্তি। জানা গিয়েছে গুগল সার্চ করে বিষাক্ত তরল বানিয়ে ছিলেন শান্তনুর স্ত্রী।
১৫ মে ইয়াবতমাল শহরের কাছে চৌসালা জঙ্গলে শান্তনুর দেহ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে জামাকাপড়ের অবশিষ্টাংশ ও অন্যান্য প্রমাণের হাত ধরে দেহ শনাক্ত করে ফেলে।






















