Middle-East conflict : যুদ্ধ আবহে লাফিয়ে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম, ভারতে ধরা ছোঁয়ার বাইরে যেতে পারে চাল-ডাল-চায়ের দামও?
Middle-East conflict : পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, এই দাম ১০০ ডলারে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা । এর ফলে শুধু তেলের দাম নয়, দাম বাড়তে পারে সোনা রুপো সহ বহু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসেরই।

নয়াদিল্লি : ইরান ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। গত ২ দিন ধরেই টানা বাড়ছে তেলের দাম। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১৩%। ব্যারেল পিছু দাম গতকালই পৌঁছে গেছে ৮২ ডলারে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, এই দাম ১০০ ডলারে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা । এর ফলে শুধু তেলের দাম নয়, দাম বাড়তে পারে সোনা রুপো সহ বহু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসেরই।
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এর প্রভাব সারা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও পড়বে। পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতের বাজারেও। জ্বালানির উচ্চ মূল্য অর্থনীতিতে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি করে। এর ফলে দৈনন্দিন পণ্য ও পরিষেবার দাম বৃদ্ধি হতে পারে অচিরেই। জ্বালানির খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহণের খরচও বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই যুদ্ধের প্রভাবেএলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়তে পারে। তাতে সমস্যায় পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলাকালীন বেশ কয়েকটি দেশ আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ভারত থেকে বিমানে আমেরিকা বা ইউরোপ যেতে দুবাই হয়ে যাওয়াও যাচ্ছে না। নিতে হচ্ছে বিকল্প পথ। এই পথ দীর্ঘতর। দীর্ঘ বিমান রুটের ফলে আন্তর্জাতিক বিমান ভ্রমণ ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। বিমান সংস্থাগুলি যাত্রীদের উপর এই ব্যয় চাপিয়ে দিতে পারে। টিকিটের দাম বাড়াবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। এছাড়া ভারত উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে গুরুত্বপূর্ণ সার এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের কাঁচামাল আমদানি করে। সাপ্লাই চেনে যে কোনও ব্যাঘাতের ফলে সারের দাম বেড়ে যেতে পারে। শেষমেষ যার প্রভাব পড়বেই খাবারের দামে।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ফলে প্রতিবারই যে কোনও সংঘাতের সময় সোনা ও রুপোর চাহিদা বেড়ে যায়। কারণ সকলেই নিশ্চিত রিটার্নের কথা ভেবেই বিনিয়োগ করে। যার ফলে গয়নার দাম বাড়বেই।
এছাড়া ভারত থেকে বিপুল পরিমাণে বাসমতী চাল কেনে ইরান ও ইরাক। ভারতের মোট বাসমতি চাল রপ্তানির প্রায় ২৫ শতাংশ অর্ডার ইরান থেকে আসে। আর ২০ শতাংশ অর্ডার আসে ইরাক থেকে। ২০ লক্ষ টনেরও বেশি চাল রপ্তানি করে ভারত। এর বাজারি মূল্য ২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। গত আর্থিক বছরেই ভারত ইরানে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বাসমতি চাল রপ্তানি করেছিল। এই যুদ্ধের আবহে তা বিঘ্নিত হতে পারে। এছাড়া চা রপ্তানিতেও চাপ পড়তে পারে। ২০২৪-২৫ সালে ভারত ইরানে প্রায় ৭ বিলিয়ন টাকার চা রপ্তানি করেছিল।
























