এক্সপ্লোর
ডোকলামে ফের বাহিনী দুদেশের, সেনা রাখার জন্য পরিকাঠামো বানাচ্ছে চিন, জানালেন সীতারামন

নয়াদিল্লি: ডোকালামে ২০১৭-য় যেখানে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল, সেখান থেকে সরে যাওয়ার পর আবার অন্য জায়গায় যার যার বাহিনী মোতায়েন করেছে ভারত ও চিন। উভয় পক্ষেরই বাহিনী সংখ্যা অবশ্য কমেছে। সোমবার লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি এও জানান, শীতের মরসুমে নিজেদের বাহিনী ওখানে রাখার জন্য সেন্ট্রি পোস্ট, সুড়ঙ্গ, হেলিপ্যাড সহ কিছু পরিকাঠামো নির্মাণ করছে চিন। চিন ডোকলামে ট্যাঙ্ক, ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পাশাপাশি সাতটি হেলিপ্যাড বানিয়েছে বলে স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে কিনা, প্রশ্ন করা হলে সীতারামন এ কথা জানান। চিনের কাছে ভারত বিষয়টি উত্থাপন করেছে কিনা, প্রশ্ন করা হলে সীতারামন বলেন, কূটনৈতিক চ্যানেল, সীমান্তে মোতায়েন বাহিনীর বৈঠক, ফ্ল্যাগ মিটিং, ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে আলোচনা সংক্রান্ত মেকানিজমের বৈঠকে নিয়মিত সীমান্তের বিভিন্ন প্রসঙ্গ তোলা হয়। গত সপ্তাহেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সুভাষ ভামরে বলেছিলেন, চিন বরাবর ভারতের সীমান্তের আবহাওয়া বেশ গরম হয়ে রয়েছে, তা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুন থেকে টানা ৭৩ দিন ডোকলামে ভারত, চিনের মধ্যে বাহিনী রাখা নিয়ে টানাপড়েন চলেছে। বিতর্কিত এলাকায় চিনা সেনাদের রাস্তা তৈরিতে বাধা দেয় ভারত, যা থেকে বিরোধের শুরু। ২৮ আগস্ট সংঘাতের অবসান হয়। সূত্রের খবর, উত্তর ডোকলামে চিন লাগাতার তার বাহিনী রেখে দিয়েছে, এমনকী বিতর্কিত এলাকায় জোরকদমে পরিকাঠামো নির্মাণও চালিয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি যে কতটা চিন্তার, বোঝাতে গিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত গত জানুয়ারিতে বলেন, পাকিস্তানের ওপর থেকে নজর ঘুরিয়ে ভারতের চিনের দিকে তাকানোর সময় হয়েছে। পেন্টাগনে এক রিপোর্টে বেরিয়েছে যে, চিন পাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটি গড়ছে। সীতারামনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, সরকার ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে, এমন সব কিছুর ওপরই নজর রাখছে, দেশের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
নির্বাচন ২০২৬
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খবর
নির্বাচন ২০২৬
























