বানচাল করে নয়, সংসদে বিতর্ক-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত: নাইডু

নয়াদিল্লি: সংসদের উচিত তর্ক-বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যুর ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া। তবে, সভাকে বানচাল করার থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। এমনটাই মনে করেন সদ্যনিযুক্ত উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু।
এদিনই দেশের পঞ্চদশ উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন বেঙ্কাইয়া। কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বভার নেন তিনি। সংসদের উচ্চকক্ষের প্রধান হিসেবে প্রথম বক্তব্য রাখতে গিয়ে বেঙ্কাইয়া জানান, হই-হট্টগোলের মধ্যে আইন বা বিল পাশ করানোর পক্ষপাতী নন তিনি।
তাঁর মতে, সভার কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়, তার জন্য সকলের সচেষ্ট হওয়া উচিত। নাইডু জানান, বিভিন্ন দলকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই দেখেন, শত্রু নয়। বলেন, আমাদের এটা মাথায় ও মনে রাখতে হবে। তিনি যোগ করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নীতি ও আদর্শ এমন হওয়া উচিত যাতে করে দেশের উন্নয়ন ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
কেন্দ্রীয় রাজনীতির অলিন্দে একবাক্যে সরস উপমার জন্য পরিচিত বেঙ্কাইয়া। এদিন নিজের কৃষক-যোগের বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে বেঙ্কাইয়া বলেন, এটা তো মানতে হবে যে দেশের সংস্কৃতি হল কৃষি। জানান, তিনি নিজের পারিবারিক পরিচয়ের জন্য গর্বিত। একইসঙ্গে গর্বিত এই জায়গায় তাঁকে নির্বাচিত করার জন্য।
এদিন বেঙ্কাইয়া মনে করিয়ে দেন, তিনি এখন সব দলের লোক। কোনও একটি বিশেষ দলের নয়। একইসঙ্গে সকলকে মনে করিয়ে দেন, সবাই যদি নিয়ম মেনে চলেন, তাহলে সকলেই কথা বলার সুযোগ পাবেন। সময়মতো কাজ হবে। কারণ তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিন বিরোধীদের উদ্দেশে বেঙ্কাইয়া জানান, তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের স্বর্ণযুগ ছিল যখন তিনি বিরোধী বেঞ্চে বসে বিভিন্ন ইস্যু উত্থাপন করতেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শাসক দলের সমালোচনা করলেও তিনি কোনওদিন সীমা লঙ্ঘন করেননি।
Before You Go
Chorbagan Durga Puja Stampede | চোরবাগানে সর্বজনীনের মণ্ডপে মৃত্যুমিছিল!






















