এক্সপ্লোর
আরও শক্তিশালী হতে চলেছে বায়ুসেনা, হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত হবে রাফাল যুদ্ধবিমান
হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ্য তিন মিটার। ওজন ৩৩০ কেজি। সর্বাধিক ৬০ কিলোমিটার উচ্চতা ও সর্বনিম্ন ১৫ কিলোমিটার পরিসীমার মধ্য কাজ করতে সক্ষম।

নয়াদিল্লি: রাফাল যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, খুব তাড়াতাড়ি রাফাল যুদ্ধ বিমানগুলিকে হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত করা হবে। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সের সঙ্গে সেই বিষয়ে কথা বলা শুরু করেছে ভারতীয় বায়ু সেন। পূর্ব লাদাখে ক্রমশই বাড়তে থাকা চিনা অগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র মাঝারি পরিসরে বায়ু থেকে মাটিতে থাকা শত্রুপক্ষকে নিশানা করতে সক্ষম। প্রাথমিকভাবে ফরাসি বিমান আর নৌবাহিনীর জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছিল। হ্যামার পূর্ব লাদাখের মতো পার্বত্য স্থান-সহ যে কোনও প্রান্তে যে কোনও ধরনের ব্যাঙ্কার বা শত্রু শিবির ধ্বংস করতে বিশেষ পারদর্শী। ২০০৭ সালের জুন মাসে প্যারিস এয়ার শো চলাকালীন এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রথম প্রদর্শিত হয়। হ্যামার লেজার ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লির ডিফেন্স এক্সোপোতে প্রদর্শিত হয়েছিল। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ্য তিন মিটার। ওজন ৩৩০ কেজি। সর্বাধিক ৬০ কিলোমিটার উচ্চতা ও সর্বনিম্ন ১৫ কিলোমিটার পরিসীমার মধ্য কাজ করতে সক্ষম। আগুনের মতো প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতেও সক্ষম নতুন প্রজন্মের এই ক্ষেপণাস্ত্র। একসঙ্গে একাধিক টার্গেটকে ধ্বংস করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব হল, এটি রাতের অন্ধকারে ও সবরকম আবহাওয়ায় কাজ করতে সক্ষম। রাফাল যুদ্ধবিমানে হ্যামার যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনা অনেকটাই শক্তিশালী হবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
Before You Go
ISKCON removes Radharaman Das: রাধারমণ দাসকে সমস্ত পদ থেকে সরাল ইস্কন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















