এক্সপ্লোর
কবরখানা-শ্মশান মন্তব্য: উত্তরপ্রদেশে পরিবেশ বিষিয়ে দিচ্ছেন মোদী, কমিশন ব্যবস্থা নিক, দাবি কংগ্রেসের

নয়াদিল্লি: নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের প্রচারে ধর্মীয় মেরুকরণ ঘটিয়ে সামাজিক বিভাজন তৈরির চেষ্টার অভিযোগ তুলল কংগ্রেস। তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী একের পর এক নির্বাচনী জনসভায় আপত্তিকর মন্তব্য করে পরিবেশ বিষিয়ে তুলছেন। গতকালও উত্তরপ্রদেশের ভোট প্রচারে সেই লক্ষ্যেই তিনি বলেছেন, কবরস্থান হলে শ্মশানও করতে হবে। কংগ্রেসের শীর্ষ মুখপাত্রটির অভিমত, কমিশন স্পষ্ট সীমারেখা বেঁধে জানিয়ে দিয়েছে, ভোটপ্রচারে এমন কিছু বলা যাবে না, যাতে ধর্মীয় মেরুকরণ হয়। ধর্ম, জাতপাত, গোষ্ঠী সংক্রান্ত ইস্যুতে প্রচার হলে তারা ব্যবস্থা নেবে। সুতরাং কমিশনের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যও খতিয়ে দেখে তাঁকে, তাঁর দলকে নোটিস পাঠানো উচিত। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানেও ধর্ম বা জাতপাতের আবেগে সুড়সুড়ি দিয়ে দেশে বিভাজন ঘটানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী সংবিধান বা আইনের ঊর্ধ্বে নন। এবার কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করুক। উত্তরপ্রদেশে দলের হার অনিবার্য হয়ে উঠেছে বুঝেই প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের কথা বলছেন এবং সংবিধানের অবমাননা করছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নেওয়া শপথও ভাঙছেন বলে অভিমত জানান তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার লক্ষ্যে সমাজে বিভাজন ঘটানোর অভিযোগও তোলেন। বলেন, ওরা মুখোশ পরে থাকে। আচমকা সেই মুখোশ খসে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী সাম্প্রদায়িক টেনশন ছড়িয়ে সমাজে বিভাজন ঘটানোর চেষ্টা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে কবরখানা, শ্মশানের কথা যেভাবে উঠেছে, তাতেই তাঁর মানসিকতা ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন, কমিশন সংবিধান অনুমোদিত সংস্থা। তারা নিজেদের কাজ করুক। আগেই তারা বিভেদমূলক প্রচারে সম্মতি দেবে না বলে জানিয়েছে। গতকাল মোদী বলেছেন, রমজানে বিদ্যুত্ সরবরাহ হলে, দেওয়ালিতেও হওয়া উচিত। কোনও বৈষম্য চলবে না।
Before You Go
Cooch Behar News: রাজ্যের পালাবদলের পর ফের কাটমানি ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতারা |ABP Ananda Live

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















