এক্সপ্লোর
কোরেগাঁও-এ ২০০ বছরের পুরানো যুদ্ধ নিয়ে সংঘর্ষ,কাল মহারাষ্ট্র বনধের ডাক, বিজেপি দলিত বিরোধী, তোপ রাহুলের

# মহারাষ্ট্রের হিংসার ঘটনা নিয়ে বিজেপিকে তোপ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধীর। তিনি বলেছেন, বিজেপি ও আরএসএসের দৃষ্টিভঙ্গি দলিত-বিরোধী। দলিতদের উন্নয়ন চায়না বিজেপি। বিজেপি আরএসএসের চিন্তাভাবনা ফ্যাসিবাদী।
A central pillar of the RSS/BJP’s fascist vision for India is that Dalits should remain at the bottom of Indian society. Una, Rohith Vemula and now Bhima-Koregaon are potent symbols of the resistance.
— Office of RG (@OfficeOfRG) January 2, 2018
#কোরেগাঁও-এ হিংসার ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল মহারাষ্ট্র বনধের ডাক দলিত সংগঠনগুলির। পুনে: মহারাষ্ট্রের পুণেতে দলিত-বিক্ষোভের আঁচ এবার মুম্বইতেও।গতকাল পুণেতে ১ জনের মৃত্যুর পর বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাসে ভাঙচুর। বিক্ষোভকারীরা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে। চেম্বুরে পুলিশের উপস্থিতিতে বিক্ষোভকারী মিছিল করেন। তাঁরা ইঁটপাটকেলও ছোঁড়েন। হাদপসার,ফুরসুঙ্গিতে বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। আহমেদনগর ও ঔরঙ্গাবাদে বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। Don’t believe in rumours. Traffic on Eastern expressway was affected due to protests. It’s moving now. Traffic at Chembur Naka is still affected. There is nothing to panic. Verify facts with police officers and men before posting anything on social media. — Mumbai Police (@MumbaiPolice) January 2, 2018
LOTS OF CROWD, dispersed quickly by police, shot from my office. trafffic has started moving at diamond garden chembur, #chembur, #chemburtense pic.twitter.com/p2g2MBkHeO — jitendrajain (@jitendrajain) January 2, 2018
কোরেগাঁও-এ গতকালের হিংসার ঘটনার বিচারবিভাগীয় হবে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের। তিনি বলেছেন, হাইকোর্টের একজন বিচারপতি ওই তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন। তিনি গুজবে কান না দেওয়ার এবং শান্তি বজায় রাখার আর্জিও জানিয়েছেন। গতকাল কোরেগাঁও-তে অশান্তির জেরে ১ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ভিমা-কোরেগাঁও যুদ্ধের ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দলিত সংগঠনের আয়োজিত অনুষ্ঠান ঘিরে হিংসার সূত্রপাত হয় মহারাষ্ট্রের পুনে জেলায়। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। ১৮১৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়েছিল পোশোয়ার বাহিনী। ব্রিটিশ বাহিনীর অংশ ছিল দলিত মাহার সম্প্রদায়ের লোকজন। ওই সময় সমাজে অস্পৃশ্য ছিল মাহাররা। সেজন্য এই যুদ্ধে ব্রিটিশদের জয়ের উদযাপন করার উদ্যোগ নেন দলিত নেতারা। যদিও পুনের কয়েকটি দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী ব্রিটিশ বাহিনীর জয়ের উদযাপনের বিরোধিতা করে। গতকাল যখন শিরুর তেহশিলের ভিমা-কোরেগাঁয়ে দলিত গোষ্ঠী যুদ্ধের স্মারকের দিকে যাচ্ছিল তখন স্থানীয় একদল লোকের সঙ্গে তাদের বচসা বেঁধে যায়। এরপরই পাথর ছোঁড়া হয়। এভাবেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে হিংসা। বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় কয়েকটি গাড়িতে। নিকটবর্তী একটি বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। ভিমা কোরেগাঁও-এ মোতায়েন এক পুলিশ কর্মী এ কথা জানিয়েছেন। ঘটনায় একজনের মৃত্যুও হয়। তবে মৃতের পরিচয় বা কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হিংসার ঘটনার পর কিছুক্ষণের জন্য পুনে ও আহমেদনগর হাইওয়েতে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোতায়েন করা হয় আরও পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের রিজার্ভ বাহিনী। উস্কানিমূলক মেসেজের আদানপ্রদান রুখতে কিছুক্ষণের জন্য মোবাইল নেটওয়ার্কও বন্ধ করা হয়। ভীমা কোরেগাঁও-এর যুদ্ধ হয়েছিল ১৮১৮-র ১ জানুয়ারী। ওই যুদ্ধে জয়কে সেই সময়ের উচ্চবর্ণের আধিপত্যের বিরুদ্ধে দলিতদের জয় বলেই মনে করেন সম্প্রদায়ের নেতা ও চিন্তাবিদদের একাংশ। ওই যুদ্ধ স্মরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাতের সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক জিগনেশ মেভানি। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা উমর খালিদ, প্রয়াত রিসার্চ স্কলার রোহিত ভেমুলার মা রাধিকা, ভীম আর্মির সভাপতি বিনয় রতন সিংহ এবং বি আর অম্বেডকরের নাতি প্রাক্তন সাংসদ প্রকাশ অম্বেডকরও উপস্থিত ছিলেন। হিংসা রুখতে ব্যর্থ হওয়ায় রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। একইসঙ্গে শান্তি বজায় রাখারও আর্জি জানিয়েছেন তিনি। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ভীমা কোরেগাঁও যুদ্ধের ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসন কেন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিল না। প্রশাসনের এই ত্রুটিতেই সংশয় ও গুজব ছড়ায়। এর ফলেই হিংসার ঘটনা ঘটে। তাঁর সন্দেহ, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়েছে সমাজবিরোধী শক্তি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আটাওয়ালে হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে দলিতদের সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, কোরেগাঁওয়ের কাছে সানসওয়াড়িতে আসা দলিত গোষ্ঠীকে বাধা দেওয়া হয়। তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয়। দলিত গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সুরক্ষার জন্য কোনও পুলিশি ব্যবস্থা ছিল না বলেও মন্তব্য করেছেন আটাওয়ালে। তিনি গ্রামে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে দলিত সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিরাপত্তার বন্দোবস্তর আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। সংবাদংস্থা জানিয়েছেন, সানসওয়াড়িতে ব্রিটিশদের স্থাপিত বিজয় স্তম্ভের কাচে কয়েক লক্ষ দলিত সমবেত হয়েছিলেন। সেই সময় গৈরিক পতাকা হাতে নিয়ে দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীর লোকজন আচমকাই ইঁটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে। আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















