এক্সপ্লোর
ক্রমবর্ধমান ঘৃণা-বিদ্বেষজাত অপরাধ, নীতি-পুলিশগিরি, অসহনশীলতায় মার খাবে উন্নয়ন, বেকারির হার ৬.১ শতাংশ, দ্রুত মোকাবিলা প্রয়োজন, হুঁশিয়ারি শিল্পপতি গোদরেজের
দেশের নানা জায়গায় গোরক্ষা বা ধর্মের নামে গণপিটুনিতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটেই মুখ খুলেছেন তিনি।তবে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসাও করেছেন এজন্য যে তিনি এমন এক নয়া ভারতের ছবি তুলে ধরেছেন যেখানে ‘আমরা আতঙ্ক, সংশয়ের মধ্যে থাকব না, রাজনৈতিক নেতৃত্ব দায়িত্বশীল হবে ভেবে আস্থা রাখতে পারব।’

মুম্বই: দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে নতুন ভারত নির্মাণ ও বৃদ্ধি প্রায় দ্বিগুণ করে দেশীয় অর্থনীতিকে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়ার ‘বিরাট স্বপ্ন’ সামনে রাখায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানালেন শিল্পপতি আদি গোদরেজ। তবে একইসঙ্গে অসহনশীলতা, ঘৃণা-বিদ্বেষজাত অপরাধ ও নীতি-পুলিশগিরি বাড়ছে বলে জানিয়ে তা দেশের আর্থিক অগ্রগতির ‘মারাত্মক ক্ষতি’ করতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, দেশে সব কিছু ঠিকঠাক চলছে না, সামাজিক ক্ষেত্রে বেশ কিছু উদ্বেগের দিকে ইঙ্গিত করে সেগুলি আর্থিক বৃদ্ধিতেও প্রভাব ফেলবে বলেও সাবধান করেছেন। পিটিআইয়ের খবর, এক অনুষ্ঠানে গোদরেজ বলেছেন, ছবিটা একেবারেই উজ্জ্বল নয়। যে ব্যাপক গরিবি আমাদের দেশে ছেয়ে গিয়েছে, তা বৃদ্ধির গতির বিরাট ক্ষতি করে আমাদের ক্ষমতার ফল প্রাপ্তিতে বাধা দেবে। সেইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, ক্রমবর্ধমান অসহশীলতা, সামাজিক অস্থিরতা, ঘৃণা ছড়ানো অপরাধ, মেয়েদের ওপর হিংসা, নীতি পুলিশগিরি, জাতপাত ও ধর্মভিত্তিক হিংসা ও আরও নানা ধরনের অসহনশীলতা দেশজুড়ে মাথাচাড়া দিলে আর্থিক সমৃদ্ধি মার খাবে। দেশে বেকারির হার এখন চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.১ শতাংশ, যত দ্রুত সম্ভব তার মোকাবিলা প্রয়োজন বলেও অভিমত জানিয়েছেন গোদরেজ। বলেছেন, ‘ভয়াবহ’ জল সঙ্কট, পরিবেশের ক্ষতি করা প্লাস্টিকের ব্যাপক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য পরিষেবায় সবচেয়ে কম খরচের ফলে ভেঙে পড়া চিকিত্সা পরিষেবা হল সেইসব সমস্যার কয়েকটি যেগুলির যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে মোকাবিলা করতে হবে। অনেক সমস্যার একেবারে মৌলিক স্তরে সমাধান করতে হবে, তা না হলে দেশ তার প্রকৃত শক্তির ফল পাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের নানা জায়গায় গোরক্ষা বা ধর্মের নামে গণপিটুনিতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটেই মুখ খুলেছেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসাও করেছেন এজন্য যে তিনি এমন এক নয়া ভারতের ছবি তুলে ধরেছেন যেখানে ‘আমরা আতঙ্ক, সংশয়ের মধ্যে থাকব না, রাজনৈতিক নেতৃত্ব দায়িত্বশীল হবে ভেবে আস্থা রাখতে পারব।’
Before You Go
Chandrima Bhattacharya: 'বিশ্বাসযোগ্যতা যখন প্রশ্নের মুখে পড়ে, তখন ফেরার প্রশ্ন নেই', বললেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
সেরা শিরোনাম
বিনোদনের
ক্রিকেট
জেলার
ব্যবসা-বাণিজ্যের

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















