Nepal PM Resignation: ‘অহংকার চূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর ! নিপীড়ক, দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের অবসান !’ কী বলছেন বিক্ষোভকারীরা ?
K.P. Sharma Oli: কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরে বিক্ষোভকারীরা বলেছেন “ওলির পদত্যাগ অবশ্যম্ভাবী ছিল। মন্ত্রীরা একের পর এক পদত্যাগ করেছেন। দেখা যাক এরপরে কী হয়।”

Nepal Protest: দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি (K.P. Sharma Oli)। আর এই পদত্যাগের ঘোষণার পরেই নেপালের সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। বিক্ষোভের চরম পর্যায় থেকে স্বস্তি এনে দিয়েছে নাগরিকদের। আর প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পরে নাগরিকরা তাঁকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ এবং ‘নিপীড়ক’ সরকার পরিচালনার দায়ে (Nepal Protest) অভিযুক্ত করেন। কেউ কেউ ঘোষণা করে যে ‘ওলির অহংকার ছাই হয়ে গিয়েছে’। কয়েকদিন ধরে চলা অস্থিরতা এবং যুব-নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ বিক্ষোভের পরে এই সিদ্ধান্তকে অনিবার্য বলে অভিহিত করেছেন নাগরিকদের একাংশ।
কী বলছেন বিক্ষোভকারীরা ?
“এটি প্রত্যাশিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী ওলির পদত্যাগ ছাড়া আর কোনও বিকল্প ছিল না। তাঁর সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত, জনগণের চাহিদা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন”, জানাচ্ছেন জনৈক বাসিন্দা। তাঁর কথায়, “৪২ জনেরও বেশি মন্ত্রীসভার মন্ত্রী (Nepal Protest) পদত্যাগ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমার আশঙ্কা সেনাবাহিনী শীঘ্রই ক্ষমতা দখল করতে পারে।” আরেকজন বিক্ষোভকারী বলেছেন “ওলির পদত্যাগ অবশ্যম্ভাবী ছিল। মন্ত্রীরা একের পর এক পদত্যাগ করেছেন। দেখা যাক এরপরে কী হয়।”
বিক্ষোভ চলাকালীন বলপ্রয়োগের নিন্দা করে একজন নেপালের নাগরিক এর বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছেন যে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বন্দুক ব্যবহার করা অগ্রহণযোগ্য। যা ঘটেছে তা ভুল ছিল। কিন্তু এখন ওলি অবশেষে পদত্যাগ করেছেন”। ওলির সরকারের অধীনে মাত্রাছাড়া দুর্নীতির দিকেও আঙুল তুলেছেন কেউ কেউ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন জানাচ্ছেন, “আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত সংসদ সদস্যদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছি। যারা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তাদের প্রতিটি বাড়ি আমি পুড়িয়ে দিতে চাই।” পরবর্তী সরকার জেন-জি’র নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এমনও মতামত প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।
রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন, দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন মূল কারণ হিসেবে। দেশজুড়ে তাঁর শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ক্রমেই তীব্রতর হয়ে উঠছিল। এই পদত্যাগপত্রে ওলি জানিয়েছেন যে বর্তমান পরিস্থিতির সাংবিধানিক সমাধানের পথ প্রশস্ত করতে সংবিধানের ৭৭(১) ধারার অধীনে তিনি পদত্যাগ করছেন। ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কিছু স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে যে সম্ভবত কেপি শর্মা ওলির পরে নেপালে এর পরে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বালেন শাহকে নিযুক্ত করা হতে পারে।






















