Pahalgam Attack Investigation: পহেলগাওঁ হামলায় চিন সংযোগ, বেজিংয়ে চিঠি দিল NIA কোর্ট, চাওয়া হল তথ্য
Pahalgam Attack China Link: চিনের কাছে তথ্য চাওয়া হল।

নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও হামলায় পাকিস্তানের সংযোগ উঠে এসেছে অনেক আগেই। এমনকি আমেরিকার স্যাটেলাইট সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একবছরের মাথায় পহেলগাঁও হামলায় এবার চিনা সংযোগ উঠে এল। জঙ্গিরা যে ক্যামেরা ব্য়বহার করেছিল পহেলগাঁওয়ে সেটি চিন থেকে আমদানি করা হয় বলে অভিযোগ। সেই নিয়ে এবার চিনের কাছে তথ্য চাওয়া হল। (Pahalgam Attack China Link)
পহেলগাঁও হামলার তদন্ত করতে গিয়ে সম্প্রতি একটি আবেদন জমা দেন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA-র ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল সন্দীপ চৌধরি। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার অনুচ্ছেদ ১১২-র আওতায় ওই আবেদন জমা দেন তিনি, যার আওতায় ভারতের কোনও আদালত, অন্য কোনও দেশের কাছে তথ্য চেয়ে Letter Rogatory বা অনুরোধপত্র পাঠাতে পারে। সেই মর্মেই জম্মুর NIA আদালত বেজিংয়ে অনুরোধপত্র পাঠিয়েছে। জঙ্গিদের ব্যবহৃত ক্যামেরা নিয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে। (Pahalgam Attack Investigation)
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৫ জন নিরীহ পর্যটক এবং স্থানীয় এক গাইড-কে হত্যা করে জঙ্গিরা। ওই জঙ্গিদের কাছ থেকে পরবর্তীতে একাধিক জিনিস উদ্ধার করা হয়, যার মধ্য়ে বৈদ্যুতিন সামগ্রীও ছিল। ওই সব জিনিসের মধ্যে একটি GoPro Hero 12 ক্যামেরাও ছিল। হামলার পরিকল্পনায় ওই ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা। ওই ক্যামেরা নিয়েই হামলাস্থল রেকি করে জঙ্গিরা।
ওই GoPro ক্যামেরা তৈরি করে নেদারল্যান্ডসের একটি সংস্থা। তাদের কাছ থেকেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল। নেদারল্যান্ডসের ওই সংস্থা NIA-কে জানায়, চিনের AE Group International Limited-কে ওই ক্যামেরা সরবরাহ করে তারা। ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চিনের গোনগুয়ানে ক্যামেরাটি প্রথম বার অ্যাক্টিভেট করা হয়। কিন্তু ক্যামেরাটি কার হাতে চালু হয় প্রথম, কার কাছে হাতবদল হয়, সেই সংক্রান্ত তথ্য দিতে পারেনি নেদারল্যান্ডসের সংস্থাটি। কারণ বিষয়টি পুরোপুরি চিনের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে।
তাই চিনের কাছ থেকে তথ্য পেতে আবেদন জানান NIA-র ডেপুটি ইনস্পেক্টর। সেই মতো জম্মুর NIA আদালত তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে বেজিংকে। বিচারক প্রেম সাগর জানান, ভারত এবং চিনের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার কোনও চুক্তি যদিও স্বাক্ষরিত হয়নি। তাই রাষ্ট্রপুঞ্জের সংগঠিত অপরাধ বিরোধী নীতি অনুযায়ী, তথ্য চেয়ে অনুরোধপত্র পাঠানো হচ্ছে। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদনও মিলেছে বলে জানান বিচারক।
গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা, যার পর ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কার্যত যুদ্ধপরিস্থিতি দেখা দেয়। ৭ মে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সূচনা করে ভারত। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের ঘাঁটিগুলি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ১০ মে দুই দেশের মধ্য়ে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর ২৮ জুলাই পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো তিন জঙ্গি, সুলেমান শাহ, হামজা আফগানি এবং জিবরানকে নিকেশ করে ভারতের নিরাপত্তাবাহিনী।
Before You Go
Jadavpur University News: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শাসক ঢোকার চেষ্টা করে: Subhamoy Maitra | ABP Ananda






















