Afghanistan Medicine: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবার এই কড়া সিদ্ধান্ত আফগানিস্তানের! ফেব্রুয়ারি থেকেই কঠোর অবস্থান
Afghanistan-Pakistan News: পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ওষুধ কোনও অবস্থাতেই বাজারে বিক্রি করা যাবে না। ব্যবসায়ীদের এই সময়ের মধ্যে সমস্ত লেনদেন চূড়ান্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

নয়া সিদ্ধান্ত: আফগানিস্তান-পাকিস্তান এই দুই দেশের মধ্যেই একাধিক ইস্যু নিয়েও ঐক্যমতের অভাব ছিল। সেই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে কাবুলের সিদ্ধান্তে এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বুধবার কাবুল ঘোষণা করেছে যে প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা ওষুধ ৯ ফেব্রুয়ারির পরে বিক্রি করা হবে না। ব্যবসায়ীদের সময়সীমার আগে সমস্ত সম্পর্কিত বাণিজ্যিক লেনদেন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে, এমনটাই খবর আইএএনএস প্রতিবেদন সূত্রে।
কাবুলের নিউজ জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় (MoF) জানিয়েছে যে এই বিষয়ে আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগে মাত্র ১৯ দিন বাকি আছে, এর পরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ওষুধ কোনও অবস্থাতেই বাজারে বিক্রি করা যাবে না। ব্যবসায়ীদের এই সময়ের মধ্যে সমস্ত লেনদেন চূড়ান্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর, আফগানিস্তানের অর্থ মন্ত্রক ঘোষণা করেছিল যে, পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ওষুধ তিন মাস পর কাস্টমসের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হবে না, অর্থনৈতিক বিষয়ক উপ-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশ অনুসারে এমনটাই জানান হয়েছিল।
গত বছরের শেষ দিক থেকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বাণিজ্য রুট বন্ধ থাকার কারণে, দুই দেশের বাজারে তীব্র ওঠানামা করতে থাকে। শুধু তাই নয়, মূল্যবৃদ্ধিও দেখা দিচ্ছে দুই দেশেই। ১১ অক্টোবর ভয়াবহ অগ্নিসংযোগের পর দুই দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করার পর থেকে, প্রতিবেশীরা পদ্ধতি সম্পর্কে ঐকমত্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়েছে। ভারত দখলের সময় ব্রিটিশদের দ আঁকা ডুরান্ড লাইন কাবুলের মধ্যে বিরোধের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ২,৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে একাধিক ফ্রন্টে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষের সাক্ষী হয়েছে।
একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে যে, ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত কাবুলে ১০.৮ কোটি ডলারের ওষুধ পাঠিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বাকি সময়জুড়ে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলারের ওষুধ রফতানি করা হয়েছে। স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এবং নিজস্ব স্বাস্থ্যখাত দুর্বল থাকায় আফগানিস্তান চিরকালই মৌলিক চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে পর্যন্ত পাকিস্তানই ছিল আফগানিস্তানের প্রধান ওষুধ সরবরাহকারী দেশ।
কাবুল ও ইসলামাবাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির মধ্যে এই ঘোষণা অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশঙ্কা।






















