ISRO Rocket: বড় ধাক্কা ইসরোর! রকেটের সফল উৎক্ষেপণের পরই বড় বিপত্তি, ত্রুটির জেরে মাঝপথেই সব শেষ?
ISRO একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছে, “PSLV-C62 মিশনের PS3 পর্যায়ের শেষে একটি ত্রুটি ঘটেছে।

কলকাতা: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বছর শুরুতেই প্রথম বড় উৎক্ষেপণ করল। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে PSLV C62 রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এই রকেটে করেই সোমবার সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে ১৬টি কৃত্রিম উপগ্রহ। তবে উৎক্ষেপণ সফল হলেও PSLV-C62 মিশন কক্ষপথে উপগ্রহ স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে।
মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ 'অন্বেষা'কে যার পোশাকি নাম ইওএস-এন১। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) ২০২৬ সালের প্রথম কক্ষপথ অভিযান সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হলেও উপগ্রহটি স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। অভিযানের মূল বিষয় ছিল EOS N1 অন্বেষা, যা প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা দ্বারা তৈরি একটি হাইপারস্পেকট্রাল উপগ্রহ। অন্বেষা উপগ্রহটি উন্নত পৃথিবী পর্যবেক্ষণ অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।
ISRO একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছে, “PSLV-C62 মিশনের PS3 পর্যায়ের শেষে একটি ত্রুটি ঘটেছে। একটি বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হয়েছে।” ইসরো জানায়, PSLV-C62 মিশন ব্যর্থ হয়েছে। রকেটটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হলেও কিন্তু তৃতীয় পর্যায়ের পরে ডেটা বিলম্বিত হয়েছে। চতুর্থ পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে, কিন্তু তার পরে কোনও আপডেট পাওয়া যায়নি। মিশন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র নীরব ছিল। উপগ্রহটি আলাদা হয়ে গিয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
ইসরোর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, PSLV-C62 মিশনের PS3 পর্যায়ের শেষ দিকে একটি সমস্যা দেখা যায়। এই ত্রুটির প্রকৃত কারণ জানতে বিশদ বিশ্লেষণ চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে ইসরোর তরফে। উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মোট ১৫টি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট EOS-N1, যার নাম ‘অন্বেষা’।
The PSLV-C62 mission encountered an anomaly during end of the PS3 stage. A detailed analysis has been initiated.
— ISRO (@isro) January 12, 2026
এই মিশনের প্রধান আকর্ষণ EOS-N1 নামের একটি উন্নত আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট, যার নাম রাখা হয়েছে ‘অন্বেষা’। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা DRDO তৈরি এই উপগ্রহে এমন ক্যামেরা রয়েছে, যা পৃথিবীর ছবি সাধারণ ক্যামেরার মতো শুধু রং দেখে নয়, বরং আলোর সূক্ষ্ম স্তর ধরে বিশ্লেষণ করতে পারে। এর ফলে ফসলের স্বাস্থ্য, মাটির আর্দ্রতা, খনিজ সম্পদ কিংবা শহরের বাড়বাড়ন্ত অনেক বেশি স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব হবে। প্রতিরক্ষা ও পরিকল্পনার কাজেও এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।






















