West Bengal Election Result: ‘তৃণমূলের হারে যারা উল্লসিত…’, কংগ্রেসের একাংশকে কড়া বার্তা রাহুল গাঁধীর, I.N.D.I.A জোটে বিভাজনের ইঙ্গিতও
Rahul Gandhi on BJP: তৃণমূলের পরাজয়ে উল্লাস? কংগ্রেসের একাংশকে সতর্ক করলেন রাহুল গাঁধী। I.N.D.I.A জোটে ফাটলেরও ইঙ্গিত।

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল। সেই নিয়ে বিজেপি-র অন্দরে যেমন উৎসবের আমেজ, সিপিএম এবং কংগ্রেসের অনেকেও আশার আলো দেখছেন। সেই আবহে নিজের দলের একাংশকেই বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধী। ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ সরিয়ে রেখে, দেশের স্বার্থে সকলকে একজোট হতে বললেন। (Rahul Gandhi on BJP)
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারে এসে রাহুল নিজেও তৃণমূলকে আক্রমণ করেছিলেন। লাগামছাড়া দুর্নীতি, অপশাসনের জন্য় নিশানা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। কিন্তু সোমবার পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে অসম এবং বাংলায় ভোট ‘চুরি’ করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। (West Bengal Election Result)
Some in the Congress, and others, are gloating about TMC’s loss.
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) May 5, 2026
They need to understand this clearly - the theft of Assam and Bengal’s mandate is a big step forward by the BJP in its mission to destroy Indian democracy.
Put petty politics aside. This is not about one party or…
আরও পড়ুন: আরও আসন বাড়ল বিজেপি-র, কমল তৃণমূলের, পুনর্গণনার পর রাজারহাট-নিউটাউনে জিতলেন কানোড়িয়া
মঙ্গলবার ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খোলেন রাহুল। লেখেন, ‘তৃণমূলের পরাজয়ে কংগ্রেসের অন্দরে কিছু মানুষ উল্লাস করছেন। তাঁদের বুঝতে হবে যে—বিজেপি-র হাতে ভারতে গণতন্ত্র ধ্বংস হওয়ার পথে বড় পদক্ষেপ অসম এবং বাংলার এই ফলাফল। ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ সরিয়ে রাখুন। এটা কোনও একটি রাজনৈতিক দলের ব্যাপার নয়। দেশের ব্যাপার’।
শুধু রাহুলই নন, শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে) সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদীও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘তৃণমূল এবং DMK-র পরাজয়ে I.N.D.I.A জোটের অন্দরে যে উল্লাস ধরা পড়ছে, তা লজ্জাজনক। অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তেজস্বী যাদবের (যাঁরা I.N.D.I.A জোটের অংশ) পরাজয় এবং সম্প্রতি আম আদমি পার্টি বিভক্ত হওয়ার পরও একই জিনিস দেখেছিলাম। এখন আবার উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন নিয়ে অখিলেশ যাদবকে নিশানা করছেন অনেকে। এই বিভাজনের জন্যই ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নেন এবং বিজেপি সেই সুযোগকে কাজে লাগায়। ২০২৪ সালে কোনও একটি দল বিরোধী জোটের নেতৃত্বে ছিল না, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছিল। দয়া করে সংযত হোন। স্মরণ করুন I.N.D.I.A জোটের সূচনা হল কী ভাবে’।
পশ্চিমবঙ্গে মমতার পরাজয়ে I.N.D.I.A শিবিরের অনেকেিই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অরবিন্দ কেজরিওয়াল লেখেন, ‘মোদি ঢেউ যখন চরমে, সেই সময়ও দিল্লি এবং বাংলায় জিততে পারেনি বিজেপি। ২০১৫ সালে দিল্লিতে এবং ২০১৬ সালে বাংলায় ৩টি করে আসন পেয়েছিল মোটে। গোটা দেশে যখন মোদির জনপ্রিয়তা তলানিতে, সেই সময় দিল্লি এবং বাংলায় জিতল বিজেপি। কী ভাবে?’
তেজস্বী গতকাল লেখেন, ‘এক মহিলা বাংলাকে বহু বছর ঘৃণা থেকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন, বাংলার ঐক্য এবং সম্প্রীতিকে আগলে রেখেছিলেন। আজ মমতাদিদিকে হারতে দেখা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। বাংলা নিজে নিজের পতন ডেকে আনছে’।
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গে জয়ের পর ইতিমধ্যেই অখিলেশ যাদবকে বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতার পরাজয় নিয়ে গতকাল মুখ খুলেছিলেন অখিলেশও। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘নির্বাচনী ব্যবস্থার নামে, গণনার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে অপব্যাবহার হয়েছে বাংলায়, ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও একই ভাবে অধিকাংশ জায়গায় কারচুপি করা হয়। কনৌজ বিধানসভা কেন্দ্র তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। ২০২৪ সালে ফারুখাবাদেও একই মডেল দেখা যায়’।






















