JP Nadda: 'পশ্চিমবঙ্গের থেকে মধ্য প্রদেশের বাঙালিরা বেশি সুরক্ষিত', বাংলায় পরিবর্তনের ডাক নাড্ডার
JP Nadda Speech: মধ্যপ্রদেশের সিটি বেঙ্গলি ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা। সেখান থেকেই বাংলার আগামী নির্বাচনে পরিবর্তনের ডাক জে পি নাড্ডার।

মধ্যপ্রদেশ: বাঙালিরা না কি বাংলাতেই সুরক্ষিত নয়। এই ইস্যুতে আবার তৃণমূলকে খোঁচা বিজেপির। মধ্যপ্রদেশের অনুষ্ঠান থেকেই মমতা সরকারকে আক্রমণ জেপি নাড্ডার। তাঁর বক্তব্য, ''পশ্চিমবঙ্গের থেকে মধ্যপ্রদেশে বাঙালিরা বেশি সুরক্ষিত। পশ্চিমবঙ্গে বাঙালিরা সুরক্ষিত নন। যে পশ্চিমবঙ্গ একসময় দেশকে নেতৃত্ব দিত, তারা আজ বিপদে। সারা দেশের উচিত পশ্চিমবঙ্গের পাশে দাঁড়ানো।'' মধ্যপ্রদেশে দাঁড়িয়ে বক্তব্যের মাধ্যমেই এক প্রকার পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ডাক জেপি নাড্ডার।
মধ্যপ্রদেশের সিটি বেঙ্গলি ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা। সেখান থেকেই জেপি নাড্ডা আরও বলেন, ''নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ও জসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, যারা দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের কথা স্মরণ করার পাশাপাশি, জনগণকে এটাও মনে রাখতে হবে যে বাংলাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে।''
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া বার্তা
ভোটরক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বুথভিত্তিক ভোটরক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়ে ভার্চুয়াল মিটিং থেক সাংসদ ও দলের নেতৃত্বদের কড়া বার্তা দিলেন তৃণমূলের সেকেণ্ড ইন কমান্ড। তিনি বলেন, ''আমাদের হাতে আর ৩ মাস আছে। দলের অনেক ওয়ার রুম কাজ করছে না। দলের কাজ না করলে, দল পাশে দাঁড়াবে না। সিরিয়াসলি কাজ না করলে দল রাখবে না কিন্তু। সাংসদরা ২-১ দিন সংসদে যান, বাকি দিনগুলিতে নিজের কেন্দ্রে থাকুন। যাঁরা ধীরে চলো নীতি নিয়ে চলছেন, স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে জেগে উঠুন। আমরা পরিশ্রম করেছিলাম বলেই বিজেপি নিজেদের মতো SIR করতে পারেনি। সাধারণ মানুষের কথা মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ফর্ম ৭ নিয়ে ওদের চক্রান্ত আমরা রুখে দিয়েছি।''
ভোকাল টনিক দিয়ে অভিষেক আরও বলেন, 'দিদির দূত অ্যাপে তথ্য তুলতে হবে, যাতে কমিশনের উপর অদৃশ্য চোখের মতো নজরদারি করি। হোয়াটসঅ্যাপে ভোট হয় না, হোয়াটসঅ্যাপে সরকার চলে না। ১ কোটি ৬৮ লক্ষ লোকের কাছে আমাদের পৌঁছতে হবে। হিয়ারিং করিয়ে তাঁদের নাম যেন চূড়ান্ত তালিকায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপের স্ক্রিনশট নিয়ে আমরা আদালতে যাব।''
ভোটের আগে SIR ইস্যুকে নিজেদের হাতিয়ার হিসেবে ভেবেছিল বিজেপি। কিন্তু এই SIR নিয়ে বাংলার মানুষের কম ভোগান্তি হয়নি। যাকে এবার পাল্টা হাতিয়ার করে ভোটের আগে নিজেদের শক্তি আরও যাচাই করে নিতে চাইছে তৃণমূল।






















