Sonam Wangchuk : ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, কী লিখলেন সোনম ওয়াংচুক?
২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহার করেন সোনম ওয়াংচুক। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর কী বললেন তিনি?

নয়া দিল্লি : শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে লাগাতার অনশন চালিয়ে গিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক খ্য়াতিসম্পন্ন পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুক। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহার করেন সোনম ওয়াংচুক। এরপর তাঁর অনশন প্রত্যাহার নিয়েও নানারকম জল্পনা তৈরি হয়েছে। অবশেষে তাঁর অনশন আন্দোলনের প্রধান দাবি পূরণ হল। পদত্যাগ করলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
এই খবরে আন্তর্জাতিক খ্য়াতিসম্পন্ন পরিবেশ কর্মী লিখলেন, 'এটি গণতন্ত্রের বিজয়... সরাসরি রাজপথ থেকে। এটি শান্তি, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের বিজয়। অভিনন্দন সিজেপি, দেশের জেন জি প্রজন্ম এবং সকল নাগরিককে দেশের প্রতিটি কোণ থেকে জেগে ওঠার জন্য ধন্যবাদ, ভয় ও ভয়ের আতঙ্ক ( Fear Of Fear ) ঝেড়ে ফেলার জন্য ধন্যবাদ। দায়িত্ব নেওয়া থেকে এখন সংস্কারের পালা। '
NEET-এর প্রশ্নফাঁসের মতোই গত কয়েক বছরে, দেশের বিভিন্ন রাজ্য়ে নানা পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে! কখনও নিট, কখনও নেট! লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ক্ষতি হয়েছে, তাঁরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, সারা বছরের খাটনি-চেষ্টা জলে গেছে! CBSE-র দ্বাদশের ফল প্রকাশের পর থেকেও বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এ বছরই প্রথম অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে খাতা দেখা হয় সিবিএসই-র। পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাঁদের খাতা যথাযথ ভাবে দেখা হয়নি। নম্বর যা আশা করেছিলেন, তার থেকে অনেকটাই কম এসেছে। প্রশ্ন ওঠে ওএসএম পদ্ধতিতে খাতা দেখা নিয়েও। এই আবহেই নিটের প্রশ্নফাঁসের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। অনশন করতে করতে তাঁর শরীর যখন ক্ষীণ, তখন তিনি বলেছিলেন, এই গণ-আন্দোলন ব্যর্থ হলে তিনি "প্রেতাত্মা হয়ে ফিরে আসবেন"। এরপর লাগাতার ২৬ দিনের অনশনের পর প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করেন সোনম ওয়াংচুক।
অবশেষে আন্দোলনের প্রবল চাপে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে CJP-র সঙ্গে তৃতীয় বৈঠকের ঠিক আগে পদত্যাগ করেন তিনি। প্রবল চাপের মুখে অবশেষে দাবি মানে মোদি সরকার। ধর্মেন্দ্র লেখেন, 'গত ১০দিনের ঘটনাক্রম দেখে আমার মন ভারাক্রান্ত ... ভারতীয় যুব শক্তিই দেশের আসল শক্তি'। শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়েই তিনি পোস্ট করেন ।
আরও পড়ুন : কেন আন্দোলন এতটা বেড়ে যাওয়ার পর পদত্যাগ? সোশ্যাল মিডিয়ায় যা জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান























